বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

পুলিশ হেফাজতে জনি হত্যা: দুই পুলিশ কর্মকর্তার যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫১৩ বার পড়া হয়েছে

পুলিশ হেফাজতে জনি হত্যা: দুই পুলিশ কর্মকর্তার যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা ঃ ১১ আগস্ট ২০২৫

রাজধানীর পল্লবীতে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনে গাড়িচালক ইশতিয়াক হোসেন জনি হত্যা মামলায় পল্লবী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান ও পলাতক এএসআই কামরুজ্জামানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।
অপর আসামি সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাশেদুল হাসানের যাবজ্জীবন দণ্ড কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও রাসেলকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১১ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে এ মামলায় পাঁচ আসামির মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুইজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। গত ৭ আগস্ট এ মামলার দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামিদের করা আপিলের শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের তারিখ ধার্য করা হয়।

দণ্ডিত পাঁচ আসামির মধ্যে কামারুজ্জামান (তৎকালীন এএসআই) শুরু থেকে পলাতক। অন্য আসামি সুমন সাজাভোগ করে বেরিয়েছেন। রায়ে অসন্তোষ জানিয়েছেন জনির পরিবার। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পুলিশের সোর্স সুমনের ফোনে দুই ভাই ইশতিয়াক হোসেন জনি ও ইমতিয়াজকে ধরে নিয়ে যায় পল্লবী থানা পুলিশ। থানায় নিয়ে দুই ভাইকে নির্যাতন করা হয়। এতে জনির অবস্থা খারাপ হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেসময় এই ঘটনা ব্যাপক আলোচিত হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট