সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
Title :
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার রায় যেকোনো দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা র‍্যাব বিলুপ্ত, পুলিশের অধীনে নতুন বাহিনী এসআরবি চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভায়—বদলাবে কাঠামো, থাকবে বিশেষ অভিযান ও তদন্তের ক্ষমতা যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া আজই শেষ হতে পারে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরতে হবে: আলবার্টার প্রিমিয়ার ২০২৭ সালের সম্ভাব্য রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময়সূচি প্রকাশ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে চমকপ্রদ তথ্য কিছু হলেই আওয়ামী লীগকে পেটাতে হবে, এই জুলুম বন্ধ করেন ভাই: ফাহাম সরকারি প্রকল্পে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে ঠিকাদারদের তথ্য চেয়েছে এনবিআর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও মানুষের প্রতি অঙ্গীকার। ধানমন্ডি ৩২-এ ‘রাজনৈতিক সন্দেহে’ সাধারণ মানুষকে মারধরের অভিযোগ, আয়াসকে গ্রেপ্তারের দাবি

ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার

নিউজ ডেস্ক, আদালত বার্তাঃ ১০ জুলাই ২০২৬

ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার লক্ষ্যে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে তদন্ত কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত পর্যায়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত জব্দ ও সংরক্ষণ, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং ফরেনসিক ও বিশেষজ্ঞ মতামত সংগ্রহসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমসমূহ যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, একটি ফৌজদারি মামলার সুষ্ঠু তদন্তই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি। তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি বা বিলম্ব বিচারপ্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করে এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি বাধাগ্রস্ত করে। এ কারণে তদন্ত কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের আলোকে তদন্ত কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপ তদারকির আওতায় আনা হয়েছে। বিশেষ করে আলামত সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আধুনিক ফরেনসিক পদ্ধতি অনুসরণ এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ জোরদার করা হচ্ছে।
এছাড়া পাঁচ বছরের অধিক পুরোনো মামলাগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করে দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালত ও প্রসিকিউশন বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে বিচারাধীন মামলার জট কমিয়ে আনা যায়।
আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তদন্ত পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত হলে বিচারপ্রক্রিয়া আরও কার্যকর ও গতিশীল হবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের বিচারব্যবস্থায় জনগণের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট