মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
Title :
অসভ্যতা করাকে এখন বাহাদুরি মনে করা হয় : আফজাল হোসেন ইতিহাসের বয়ান, বৈশ্বিক রাজনীতি এবং বাংলাদেশের প্রাসঙ্গিকতা সাংবাদিকের নিবন্ধন: স্বাধীনতা নাকি নিয়ন্ত্রণের নতুন কাঠামো? ১৮০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি উদ্বিগ্ন নাগরিকদের যৌথ বিবৃতি শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে ঘিরে সামাজিক বিতর্ক ব্যক্তিস্বাধীনতা, পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক মূল্যবোধের নতুন বাস্তবতা ফিটনেস সনদ ছাড়া যানবাহন চলাচল বন্ধে হাইকোর্টের রুল যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি সোমা এস. সাঈদ—অভিবাসী সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত চার্জ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় পৃথক আইন প্রণয়নের প্রশ্নেও নির্দেশনা চাওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২৭ সংস্কৃতিকর্মী ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল রবীন্দ্র সরোবরে নাচ-গানে শুরু ‘বর্ষা মঙ্গল উৎসব ১৪৩৩’: নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির বার্তা

বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তা জড়িত: ভারত

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তা জড়িত: ভারত

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা :আগস্ট ১৬, ২০২৩

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ভারতের নিরাপত্তাসহ দেশটির ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সাথে জড়িত। দুই দেশ একসঙ্গে অনেক কিছু করতে পারে।

এর মধ্যে পুনরায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সুন্দরবনের সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলোতেও অনেক কিছু করার রয়েছে বলে মত তার। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ।

ভারতীয় ঊর্ধ্বতন এই কর্মকর্তার নাম স্মিতা পন্ত। তিনি ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বাংলাদেশ, মিয়ানমার) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে মঙ্গলবার রাজধানী নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ওই অনুষ্ঠানে স্মিতা পন্ত বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছিল, কিন্তু খুনিরা তার আদর্শকে পরাজিত করতে পারেনি। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর সমকক্ষ ব্যক্তিত্ব খুব কমই আছে এবং আজ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, জনগণ মৌলবাদকে প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে অবস্থান গড়ে নেওয়ার পথে রয়েছে এবং এই দেশটি কার্যত অন্যান্য দেশের তুলনায় জাতিসংঘে বেশি শান্তিরক্ষী পাঠিয়ে অবদান রাখছে।

আলোচনার শুরুতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বঙ্গবন্ধুর বঞ্চিত ও দরিদ্রদের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের কথা বলেন, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি মডেল হয়ে আছে। সাম্য, ন্যায়বিচার, মৌলিক মানবাধিকার এবং বিশেষ করে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের জন্য লড়াইয়ে তিনি তার অভিজ্ঞতা থেকে তার রাজনৈতিক দর্শন গড়ে তুলেছিলেন। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে দেওয়া নিজের প্রথম ভাষণে বঙ্গবন্ধু সবার জন্য শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অত্যধিক গুরুত্বের প্রতি ইঙ্গিত করেছিলেন।

একই কণ্ঠ প্রতিধ্বনিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে। সেখানে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘অত্যাচারী এবং নিপীড়িত; এই দুই ভাগে দুনিয়া বিভক্ত…। যারা নিপীড়িত আমরা তাদের পক্ষে দাঁড়াই এবং যারা নিপীড়ন থেকে মুক্তির জন্য ন্যায়সঙ্গত সংগ্রাম করছে, আমরা তাদেরও পাশে আছি।’

মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, কিন্তু এই মহান ব্যক্তির নীতি ও আদর্শকে তারা শেষ করে দিতে পারেনি, মুছে দিতে পারেনি। তার শিক্ষা, মতাদর্শ এবং চেতনা আমাদের হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে আছে।’

হাইকমিশনার এসময় দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট