বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
Title :
দুজন স্থানীয় সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া তল্লাশি ও জব্দ বেআইনি: হাইকোর্ট সনদ হওয়ার পর, দক্ষতা ও সততাই নতুন আইনজীবীর পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তি ধানমন্ডির ফুটপাতে বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধর ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় যুবক আটক পরকালের জীবনে বিশ্বাসে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ৯৮.৮ শতাংশ মানুষের বিশ্বাস মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা বাতিল চেয়ে আপিল করলেন হাসানুল হক ইনু চাকরিতে অর্জিত অধিকার ও পদোন্নতির যোগ্যতা নতুন বিধিতে বাতিল করা যাবে না: হাইকোর্ট ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ: আইনমন্ত্রী ছয় দশকে বদলে গেছে চারপাশ, রয়ে গেছে এরোপ্লেন মসজিদের ঐতিহ্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের কারাগারে বন্দি মায়ের সঙ্গে ৩০৩ শিশু: হাইকোর্টে প্রতিবেদন ​শিশুদের নিকটাত্মীয় বা সরকারি শিশু পরিবারে রাখার সুপারিশ

ব্যক্তিগত চ্যানেলে অতিথির বক্তব্যের দায়িত্ব চ্যানেলকে নিতে হবে’

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩
  • ৪৯৯ বার পড়া হয়েছে

 

‘ব্যক্তিগত চ্যানেলে অতিথির বক্তব্যের দায়িত্ব চ্যানেলকে নিতে হবে’
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা :১০ জুলাই, ২০২৩

‘ব্যক্তিগত চ্যানেলে অতিথির বক্তব্যের দায়িত্ব চ্যানেলকে নিতে হবে’
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২ মামলায় জগন্নাথের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরাকে জামিন দেয়নি আপিল বিভাগ।

সোমবার (১০ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ৪ মাস খাদিজার জামিন স্ট্যান্ডওভার রাখেন।
এ সময় আদালত বলেন, আপনি টকশোতে ইন্টারভিউর জন্য কাউকে ডাকলে তিনি যা বলবেন তার দায়িত্ব কেনো নেবেন না। সেই সঙ্গে আপিল বিভাগ জানান, যে বক্তব্যের জন্য এ মামলা সেখানে খাদিজা কিছু বোঝেনা এটা বলা ঠিক না কারণ সে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার বিচারপতি

অনলাইনে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রচার এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগে ২০২০ সালে অক্টোবরে খাদিজাতুল কুবরা এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানায় আলাদা দুটি মামলা করে পুলিশ। এক সপ্তাহের ব্যবধানে করা দুটি মামলার এজাহারের অভিযোগ এবং বর্ণনা প্রায় একই রকম।
একটি মামলার বাদী নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খাইরুল ইসলাম এবং অন্যটির কলাবাগান থানার এসআই আরিফ হোসেন। দুই বাদীই দায়িত্ব পালনকালে মুঠোফোনে ইউটিউবে ঘুরতে ঘুরতে খাদিজাতুল কুবরা ও মেজর (অব.) দেলোয়ার হোসেনের ভিডিও দেখতে পান। তারপর দুজনই নিজ নিজ থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।
নিউমার্কেট থানার মামলায় এসআই খাইরুল ইসলাম বলেন, ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর সকাল ৬টা ২৫ মিনিটের সময় মুঠোফোনে মেজর (অব.) দেলোয়ারের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও দেখতে পান। ‘হিউম্যানিটি ফর বাংলাদেশ’ শিরোনামের ভিডিওর সঞ্চালক খাদিজাতুল কুবরার উপস্থাপনায় দেলোয়ার হোসেন তার বক্তব্যে বাংলাদেশের বৈধ গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাতের বিভিন্ন নির্দেশনা দেন। মামলাটি রেকর্ড করা হয় সকাল ৮টা ১০ মিনিটে। মামলার এজাহারের সঙ্গে তিন পাতার স্ক্রিনশট ও ভিডিও–সংবলিত সিডি সংযুক্ত করা হয়।
মামলায় অভিযোগ আনা হয়, খাদিজাতুল কুবরা ও দেলোয়ার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের বৈধ সরকারকে উৎখাতের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মনগড়া, বানোয়াট, মিথ্যা, মানহানিকর অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন। আসামিরা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা, বিদ্বেষ সৃষ্টির অপচেষ্টাসহ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের প্রয়াস চালাচ্ছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট