1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নিলে আদালতে দাঁড়াতে পারবেন না আইনজীবী - আইনজীবীঅ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন - আদালত বার্তা
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট।  ঢাকার আবাসন সংকটের সমাধান হিসেবে নেওয়া পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প ৩১ বছরেও পুরোপুরি বাসযোগ্য হয়নি। সব দল না থাকলে নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না’ নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়তে বললো যুক্তরাষ্ট্র নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: বদিউল আলম ইলন মাস্কের স্টারলিংক সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে অচল করে দিলো ইরান ফের বাড়তে পারে শীতের দাপট পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্টে সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ দেশজুড়ে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।৭৩ বছরের রেকর্ডে আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতি আর কখনো দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।  বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই জাতিসংঘের।

মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নিলে আদালতে দাঁড়াতে পারবেন না আইনজীবী – আইনজীবীঅ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৮৩ বার পড়া হয়েছে
  1. মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নিলে আদালতে দাঁড়াতে পারবেন না আইনজীবী – আইনজীবীঅ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিননিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা ঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৩

সুপ্রিম কোর্টসহ সারা দেশের আদালত প্রাঙ্গণে কোনো আইনজীবী মিটিং-মিছিলে অংশ নিলে বাংলাদেশের কোনো আদালতে মামলার শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন না সেই আইনজীবী।

বুধবার (৩০ আগস্ট) রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আজ আদালত প্রাঙ্গণে কোনো ধরনের মিছিল-সমাবেশ না করার বিষয়ে হাইকোর্টের রায় কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এ কারণে এখন থেকে আদালত প্রাঙ্গণে কোনো ধরনের মিছিল করলে সেটা আদালত অবমাননা হবে। যে আইনজীবী মিছিল মিটিংয়ে অংশ নেবেন, তিনি কোনো আদালতে শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন না।

এর আগে সকালে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে কোনো ধরনের মিছিল সমাবেশ না করার বিষয়ে হাইকোর্টের রায় কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

একইসঙ্গে জাতীয়তবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলীসহ বিএনপির সাত আইনজীবী নেতার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানির জন্য ১৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (৩০ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। এসময় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
২০০৫ সালে বিচারপতি আব্দুল মতিন ও বিচারপতি এ এফ এম আব্দুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের মিছিল সমাবেশ না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ রায় কঠোরভাবে আপিল বিভাগ আইনজীবীদের মেনে চলতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথি।

আদালত অবমাননার আবেদন
গত ২৯ আগস্ট আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও মিছিল সমাবেশ করায় বিএনপির সাত আইনজীবী নেতার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন দায়ের করা হয়।

এই সাত আইনজীবী নেতা হলেন– জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জাতীয়তবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সকালে আপিল বিভাগের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও মিছিল সমাবেশ করায় বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। আইনজীবী নাজমুল হুদার পক্ষে অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি এ আবেদন দায়ের করেন।

শোক দিবসের আলোচনা সভার বক্তব্য
১৫ আগস্টের শোক দিবসের আলোচনা সভায় ‘বিচারপতিরা শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ’ উল্লেখ করে বক্তব্য দেওয়ায় আপিল বিভাগের দুজন বিচারপতির বিরুদ্ধে একাধিকবার সংবাদ সম্মেলন করে আসছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। এছাড়া ওই দুজন বিচারপতিকে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এ নিয়ে তারা মিছিল সমাবেশও করে আসছে।

গত ১৫ আগস্ট শোক দিবসের আলোচনা সভায় ‘বিচারপতি শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ’ উল্লেখ করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, ‘এ সংবিধান হলো আমাদের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক দলিল। বঙ্গবন্ধুর যে রাষ্ট্র-দর্শন, রাজনৈতিক দর্শন, সামাজিক দর্শন— সব দর্শনের প্রতিফলন ঘটেছে এই সংবিধানে।’

তিনি বলেন, ‘ইদানীং সুষ্ঠু নির্বাচন, বিদেশি প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত— এসব নিয়ে তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, গণতন্ত্র চাই। বঙ্গবন্ধুর শোষিতের গণতন্ত্র কী? শুধু ভোট দেওয়াই একমাত্র গণতন্ত্র নয়। ভোট দিয়ে রাজা ও মন্ত্রীর পরিবর্তনই গণতন্ত্র নয়। যে গণতন্ত্র মানুষের ভাতের নিশ্চয়তা, বেকারের চাকরির সংস্থান ও দেশের মানুষের সার্বিক মুক্তি ঘটাতে না পারে— বঙ্গবন্ধু সে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না।’

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত হবে না, যে ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এ দেশের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির উন্মেষ ঘটে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এমন হবে না, শুধু ভোট দিয়েই এখানে জঙ্গিবাদের উত্থান হবে। সংবিধান রক্ষার যে শপথ নিয়েছি, সে অবস্থায় থেকে মুক্তিযুদ্ধের আবহ ও প্রেক্ষাপট, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ সবকিছু মাথায় নিয়ে বিচারিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী বলেন, ‌‘সারা বিশ্বে নির্বাচন হয় কেউ তাকিয়েও দেখে না, নির্বাচন ঘিরে সব নজর বাংলাদেশের দিকে কেন?

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট