বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

আইনজীবীর মাথায় পেপার ওয়েট ছুড়ে বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

আইনজীবীর মাথায় পেপার ওয়েট ছুড়ে বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক
  নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৩, জুলাই ২০২৬
ছবি: বিচারক মো. সুজন মিয়ার ছুড়ে মারা কাঁচের পেপার ওয়েটে আহত শিক্ষানবীস আইনজীবি সাবিহা সুলতানা (প্রতিনিধি)।
গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের এজলাসে শিক্ষানবীশ এক নারী আইনজীবীর মাথায় কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠেছে বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বিচারিক ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। 
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত শিক্ষানবীশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানা জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের এজলাস চলাকালে বিচারক মো. সুজন মিয়া তার দিকে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি তার মাথায় আঘাত করলে তিনি রক্তাক্ত হন। ওই সময় তিনি আইনজীবীদের জন্য নির্ধারিত বেঞ্চে বসে মামলার নথি দেখছিলেন। পরে উপস্থিত আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী ও এক পুরুষ আইনজীবী অভিযোগ করেন, বিচারক সুজন মিয়ার আদালতে যেতে তারা ভয় পান। তাদের দাবি, এজলাস চলাকালে তিনি প্রায়ই আইনজীবীদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করেন, যা একজন বিচারকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এমন আচরণ মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা বিষয়টি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেছি।’
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এ সিদ্ধান্ত উচ্চ আদালতের। তবে আপাতত ওই আদালতের কার্যক্রম অন্য একজন বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানানো হলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তা মেনে নিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট