1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট - আদালত বার্তা
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট ক্ষতিপূরণ নয়, অধিকার প্রতিষ্ঠাই মুখ্য: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর প্রাসঙ্গিকতা মিথ্যা মামলা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভুয়া দাবি, জীবিত মানুষকেও দেখানো হয় মৃত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের ঘটনার অন্তত ১৪টি ভুয়া মামলার সন্ধান পেয়েছে পিবিআই সিটি করপোরেশন: সংবিধানসম্মত পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন দেড় বছরে ১৫ বিচারপতির বিদায়, অন্যদের জন্য ‘সতর্কবার্তা সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জা’মিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। শাহবাগে এক নারীর একক প্রতিবাদ: “ঢাকা বাঁচাতে হকার উচ্ছেদ জরুরি”—বিতর্কের কেন্দ্রে নতুন প্রশ্ন আইন অঙ্গনে টিকে থাকার লড়াই: একজন দক্ষ আইনজীবীর করণীয় ট্রাইব্যুনালে এলেই অসুস্থতা: বিচার এড়াতে ‘রোগের নাটক’, বলছে প্রসিকিউশন ঢাকায় সাংবাদিকতা সম্মেলনে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের তাগিদ

একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ১৪ মে ২০২৬
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (১২ মে) এ রুল জারি করেন। 
এ সময় হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার এজাহার প্রসঙ্গ তুলে আনা হয়। হাইকোর্ট বলেন, একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। 
ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। রাহিদ অভিযোগ করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাকে মারধর করেছিলেন। 
রাহিদ সে সময় বলেন, ‘ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাই-ভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।’
রাহিদ অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সরদার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন তাকে মারধর করেছেন।
তবে রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন কি না, সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি অভিযোগকারীরা।
পরে শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের মা শাহবাগ থানায় এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছিল। তবে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেন রাহিদের মা। ঠিক কী কারণে বা কোন পরিস্থিতিতে অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হয় সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট