রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
Title :
রবীন্দ্র সরোবরে নাচ-গানে শুরু ‘বর্ষা মঙ্গল উৎসব ১৪৩৩’: নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির বার্তা বাথরুমে সরকারি ওষুধের স্তূপ স্বাস্থ্যব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাগেরহাটে ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত দেশ গঠনে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দেশে চলমান গ্যাস সংকটে ভোগান্তি ক্ষতিগ্রস্ত এলএনজি টার্মিনাল মেরামতে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ দল আসছে। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় সুপ্রিম কোর্ট, আইনজীবী সম্প্রদায়ের জরুরি সংস্কারের প্রয়োজন কক্সবাজারের পর্যটন নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনা মেট্রো রেখে মনোরেলে মনোযোগ “ওকালতি পেশার মূলমন্ত্র হলো গুরু শিক্ষা” আইনজীবীর মাথা ফাটানো বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার উদ্যোগ

বাঁধা-নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও জনসমুদ্রে শেষ বিদায়: ভোলার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদকে ঘিরে আবেগঘন দৃশ্য

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

বাঁধা-নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও জনসমুদ্রে শেষ বিদায়: ভোলার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদকে ঘিরে আবেগঘন দৃশ্য
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ২ মে ২০২৬
জনতার ঢল, শোক আর স্মৃতিচারণে মুখর শেষযাত্রা—নেতার প্রতি মানুষের ভালোবাসার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি

ভোলা থেকে প্রাপ্ত দৃশ্য যেন এক আবেগঘন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রশাসনিক বিধিনিষেধের মধ্যেও হাজারো মানুষের ঢলে পরিণত হয়েছে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের জানাজা। জনসমুদ্রে ভেসে গেছে পুরো এলাকা—যেখানে মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে, রাজনীতির মাপকাঠির বাইরেও একজন নেতার প্রতি ভালোবাসা কত গভীর হতে পারে।
 সড়কের দুই পাশে অসংখ্য মানুষের ভিড়। সাদা টুপি পরিহিত মুসল্লিদের সারি, মাঝখানে রাখা অ্যাম্বুলেন্স, আর চারপাশে শোকাহত জনতা—সব মিলিয়ে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মানুষজন শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় জমিয়েছেন।
 শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে মানুষ জানাজায় অংশ নিচ্ছেন। অনেকেই নীরব, আবার কারও চোখে অশ্রু। তরুণ থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে, তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, ছিলেন মানুষের হৃদয়ের খুব কাছের একজন ব্যক্তি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তোফায়েল আহমেদ ছিলেন ভোলার রাজনীতির এক অবিচ্ছেদ্য নাম। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে অবদান এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্মৃতি আজও মানুষের মনে অম্লান। তাই তার বিদায়ে মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি।
একজন উপস্থিত ব্যক্তি বলেন, “তিনি আমাদের জন্য শুধু নেতা ছিলেন না, অভিভাবক ছিলেন। তাই শেষবারের মতো তাকে দেখতে এসেছি।”
যদিও কিছু প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও বিধিনিষেধ ছিল, তবুও মানুষের আবেগকে থামানো যায়নি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই শান্তিপূর্ণভাবে জানাজা সম্পন্ন হয়।

এই দৃশ্য শুধু একটি জানাজার চিত্র নয়, বরং এটি একজন নেতার প্রতি জনমানুষের গভীর ভালোবাসা, আস্থা ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন। রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে—জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া নেতারা কখনো হারিয়ে যান না।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews