বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

ভিসা না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, ৪ আসামি রিমান্ডে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

ভিসা না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, ৪ আসামি রিমান্ডে
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬
ভিসা না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৯১ শিক্ষার্থীর আট কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলার মূল হোতা মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, যিনি মো. মতিউর রহমান নামেও পরিচিত, এবং তার সঙ্গে আরও তিন আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকা শহরের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই শুনানি শেষে আদেশ দেন। পুলিশ হেফাজতে থাকা এই সকল আসামিদের নির্দিষ্ট সময়ে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
আদালতে উপস্থিত ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা এই আসামিদের উপর হামলা চালান। রিমান্ডে যাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাবেয়া খাতুন তানিয়া, সাইদুর রহমান এবং মো. তানজির ইসলাম। তানজিরের জন্য চার দিনের এবং বাকি তিন আসামির জন্য পাঁচ দিনের রিমানন্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
পুলিশের হেফাজত থেকে বের করে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, যিনি ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. বিল্লাল ভূইয়া, আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। পরে পুলিশ প্রহরায় আসামিদের আদালতে আনা হয় এবং এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্দেশ্যে গালাগাল করতে থাকেন।
আদালতের বারান্দায় আসামিদের নিলে কয়েকজন হামলার চেষ্টা করেন। আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম মর্তুজা ইবনে ইসলাম রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এরপর পুলিশ প্রহরায় আসামিদের হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হাতকড়া পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ তুলে হামলা চালান। তখন পকেট গেট দিয়ে তাদের হাজতখানার ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এর আগে তারা হাজতখানার প্রধান গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। অনেকেই লাথি মেরে পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর, বাদীপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন মোল্লাসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শান্ত করেন।
আদালতের বারান্দায় আসামিদের নিলে কয়েকজন হামলার চেষ্টা করেন। আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম মর্তুজা ইবনে ইসলাম রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এরপর পুলিশ প্রহরায় আসামিদের হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হাতকড়া পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ তুলে হামলা চালান। তখন পকেট গেট দিয়ে তাদের হাজতখানার ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এর আগে তারা হাজতখানার প্রধান গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। অনেকেই লাথি মেরে পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর, বাদীপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন মোল্লাসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শান্ত করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট