1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
ঢাকায় পরীক্ষামূলক ট্রাম সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, কমবে যানজট - আদালত বার্তা
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকায় পরীক্ষামূলক ট্রাম সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, কমবে যানজট জেলা আইনজীবী সমিতিতে সদস্যভুক্তির নামে অস্বাভাবিক ফি নির্ধারণে চাপে পড়ছেন নবীন আইনজীবীরা। কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট আইনে দ্রুত বিচার একজন আইনজীবী হিসেবে কি ভাবে অল্প সময় ব্যারিস্টার হতে পারেন। তীব্র গরমের মধ্যে স্বস্তির খবর দিল আবহাওয়া অফিস উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদের ওপর আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে আয়কর ধার্য হতে পারে সুপ্রিম কোর্টে ভার্চুয়ালি ৭০৭টি মামলার শুনানি, ১৭৭টি নিষ্পত্তি। সৃজনশীল মানুষের সংগ্রাম: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তনু হত্যার ১০ বছর পর প্রথম আসামি কেরাণীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে যারা মনোনীত হলেন।

ঢাকায় পরীক্ষামূলক ট্রাম সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, কমবে যানজট

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকায় পরীক্ষামূলক ট্রাম সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, কমবে যানজট।
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ২৬ এপ্রিল ২০২৬
জানা গেছে, রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং যানজট নিরসনে গত ২৪ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভা থেকে ট্রাম সার্ভিস চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে লিখিত নির্দেশ দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে এখন সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) দ্রুত শুরু করতে যাচ্ছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রগতি সরণিকে প্রাথমিকভাবে ট্রাম চালুর জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। এই রুটে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রাম চালু করে এর কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা হবে। সফল হলে পর্যায়ক্রমে রাজধানীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও ট্রাম সার্ভিস সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, জনবহুল শহর হিসেবে ঢাকার জন্য ট্রাম একটি উপযুক্ত গণপরিবহন হতে পারে। এটি তুলনামূলকভাবে কম খরচে নির্মাণযোগ্য এবং পরিচালন ব্যয়ও কম। একই রাস্তায় ট্রাম ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে পারে, ফলে আলাদা অবকাঠামো তৈরির প্রয়োজন কম পড়ে। এছাড়া ট্রামের জন্য কম জায়গা লাগে এবং এটি ঘন ঘন স্টপেজের মাধ্যমে যাত্রী ওঠানামার সুবিধা দেয়, যা নগর পরিবহনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ট্রাম একসঙ্গে ৮ থেকে ১০টি বাস বা ছোট যানবাহনের সমপরিমাণ যাত্রী বহন করতে সক্ষম। ফলে সড়কে যানবাহনের চাপ কমে এবং যানজটও হ্রাস পেতে পারে। পাশাপাশি এটি পরিবেশবান্ধব হওয়ায় নগরীর বায়ুদূষণ কমাতেও সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, পরীক্ষামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে ট্রাম সার্ভিসের কার্যকারিতা যাচাই করা হবে। এই পরীক্ষামূলক উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ গণপরিবহন ব্যবস্থায় রূপ নিতে পারে।
বিশ্বের বিভিন্ন শহরে ট্রাম সার্ভিস সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারতীয় শহর কলকাতায় এখনো ট্রাম চালু রয়েছে, যা উপমহাদেশে গণপরিবহনের একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ। ১৮৭৩ সালে সেখানে প্রথম ট্রাম চালু হয় এবং ১৯০০ সালে বৈদ্যুতিক ট্রামে রূপান্তর করা হয়। যদিও সময়ের সঙ্গে রুট সংখ্যা কমেছে, তবুও এটি এখনো নগর পরিবহনের অংশ হিসেবে টিকে আছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঢাকায় ট্রাম চালু হলে এটি মেট্রোরেল ও বাস সার্ভিসের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে। একই সঙ্গে কম খরচে নগরবাসীর জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট