শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
Title :
ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার সপ্তাহে একবারের ইনসুলিন চালু ভারতে, কমবে খরচ ও ইনজেকশনের ঝামেলা সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে চায় সরকার দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪৬ লাখ ছাড়িয়েছে: সংবিধানের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাড়ছে চাপ ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যু: কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ নিজেদের প্রণীত আইনেই মানবতাবিরোধী অভিযোগে বিচারের মুখে আ.লীগ: নিষিদ্ধ ঘোষণার আইনি পথ কতটা বাস্তবসম্মত? স্টেশনের নীরব মৃত্যু: বুবি হত্যাকাণ্ডে উন্মোচিত প্রান্তিক জীবনের নিরাপত্তাহীনতা হাইকোর্টের রায়: সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুবার্ষিকীতে আইনজীবীদের শ্রদ্ধা কারাগারে বাড়ছে বন্দি মৃত্যু: চিকিৎসক-অ্যাম্বুলেন্স সংকটে সময়মতো মিলছে না জরুরি চিকিৎসা

ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার

নিউজ ডেস্ক, আদালত বার্তাঃ ১০ জুলাই ২০২৬

ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার লক্ষ্যে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে তদন্ত কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত পর্যায়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত জব্দ ও সংরক্ষণ, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং ফরেনসিক ও বিশেষজ্ঞ মতামত সংগ্রহসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমসমূহ যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, একটি ফৌজদারি মামলার সুষ্ঠু তদন্তই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি। তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি বা বিলম্ব বিচারপ্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করে এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি বাধাগ্রস্ত করে। এ কারণে তদন্ত কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের আলোকে তদন্ত কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপ তদারকির আওতায় আনা হয়েছে। বিশেষ করে আলামত সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আধুনিক ফরেনসিক পদ্ধতি অনুসরণ এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ জোরদার করা হচ্ছে।
এছাড়া পাঁচ বছরের অধিক পুরোনো মামলাগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করে দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালত ও প্রসিকিউশন বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে বিচারাধীন মামলার জট কমিয়ে আনা যায়।
আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তদন্ত পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত হলে বিচারপ্রক্রিয়া আরও কার্যকর ও গতিশীল হবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের বিচারব্যবস্থায় জনগণের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews