বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

আইনজীবীর মাথা ফাটানো বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার উদ্যোগ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

আইনজীবীর মাথা ফাটানো বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার উদ্যোগ
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : ২৩ জুলাই ২০২৬
আদালতে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটানো গোপালগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ সংক্রান্ত সুপারিশ আইন মন্ত্রণালয় থেকে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ পেলেই তাকে সংযুক্ত করা হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে বিচারকের ছোড়া পেপারওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটে যায় এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। আদালত চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর আইনজীবীরা আদালত বর্জন করায় বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক মো. সুজন মিয়া আদালত চলাকালে বেঞ্চের পেছন দিকে আইনজীবীদের কথা বলতে দেখে কাচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। পেপারওয়েটটি শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় লাগে। এতে তার মাথা ফেটে যায়।
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাক্ষিত বলে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক, জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান। এ বিষয়ে জানতে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট