1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের কঠোরতম আইনগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। - আদালত বার্তা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে প্রায় ৪০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেছে। আইনজীবীরা সমাজকে সচেতন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এবার জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে আবেদন ১৭৩ আইনজীবীর ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষেই রায় দিল নিউইয়র্ক আদালত ঢাকায় পরীক্ষামূলক ট্রাম সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, কমবে যানজট জেলা আইনজীবী সমিতিতে সদস্যভুক্তির নামে অস্বাভাবিক ফি নির্ধারণে চাপে পড়ছেন নবীন আইনজীবীরা। কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট আইনে দ্রুত বিচার একজন আইনজীবী হিসেবে কি ভাবে অল্প সময় ব্যারিস্টার হতে পারেন।

বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের কঠোরতম আইনগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৩২৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের কঠোরতম আইনগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

ডেস্ক নিউজ আদালত বার্তা :১০ এপ্রিল ২০২৩।

সোমবার (১০ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ মুখপাত্র ভেদান্ত প্যাটেল এমন মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এই ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে ভেদান্ত প্যাটেল বলেন, ‘সবশেষ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০ ধাপ পিছিয়ে ১৬২তম হয়েছে। আর এজন্য সবচেয়ে বড় কারণ হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।’

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে গণতন্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা এবং সরকার পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের বিষয়ে প্যাটেলকে প্রশ্ন করা হয়। একইসঙ্গে দৈনিক প্রথম আলোর অফিসে একটি গ্রুপের হট্টগোলের বিষয়টি নিয়েও জানতে চাওয়া হয়।

ভেদান্ত প্যাটেল বলেন, ‘আমাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের কঠোরতম আইনগুলোর একটি হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইন সম্পর্কে আমাদের উদ্বেগ আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। মুক্ত গণমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিক যে কোনো দেশ এবং তার গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন কন্টেন্টের ওপর যে নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রয়েছে তার প্রভাব নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’

তাছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিএনপির দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং সারাবিশ্বে অবাধ ও নিরপেক্ষ নীতিকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী বা কোনো দলকে পৃষ্ঠপোষকতা করছি না আমরা।’

প্যাটেল আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে আরও গভীর সম্পর্ক চায়। আর সে কারণেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যবহার সম্পর্কে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সংবাদপত্রের লোকজনসহ মত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের একটি অপরিহার্য উপাদান এবং নির্বাচনের বছরে এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রের কোনো সদস্যকে তাদের দায়িত্ব পালন করার জন্য হুমকি, হয়রানি, শারীরিকভাবে আক্রমণ বা গ্রেপ্তার করা উচিত নয়।’

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট