বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
Title :
এক বছরে ২৫ লাখে মামলা কমানোর চেষ্টা সরকারের: আইনমন্ত্রী আলোচনায় হাসিনার দেশে ফেরা চলছে নানা গুঞ্জন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবেন না, জানালো ইসি  সাংবাদিকতার পেশায় আইনি জ্ঞান ও পেশাগত দায়বদ্ধতা: সত্য অনুসন্ধানের অপরিহার্য ভিত্তি এমপি নজরুল ইসলামের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে, অবশেষে যে সিদ্ধান্ত নিলো জামায়াত আইনজীবীদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রধান বিচারপতির কঠোর উদ্বেগ বিচারকের সই-সিল জাল : আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: তারেক রহমান আয়কর নিরীক্ষায় পড়লে কী করবেন? ১০ প্রশ্নের উত্তর সংস্কৃতি কি নিরপেক্ষ থাকতে পারে—নাকি অনিবার্যভাবে মতাদর্শের বাহন?

একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ১৪ মে ২০২৬
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (১২ মে) এ রুল জারি করেন। 
এ সময় হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার এজাহার প্রসঙ্গ তুলে আনা হয়। হাইকোর্ট বলেন, একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। 
ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। রাহিদ অভিযোগ করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাকে মারধর করেছিলেন। 
রাহিদ সে সময় বলেন, ‘ওরা আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট, বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে। শুরুতে এসএম হলের সামনে, এরপর ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাই-ভাবে মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে সেভ করেছে।’
রাহিদ অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সরদার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, আবরারসহ আরও কয়েকজন তাকে মারধর করেছেন।
তবে রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন কি না, সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি অভিযোগকারীরা।
পরে শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের মা শাহবাগ থানায় এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছিল। তবে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেন রাহিদের মা। ঠিক কী কারণে বা কোন পরিস্থিতিতে অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হয় সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews