শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
Title :
অবকাশের পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট: কাল আপিল বিভাগের ১ নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ, থাকছে প্রথাগত সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি ফ্রান্সের অস্থিরতা: গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কোথায় শেষ, নৈরাজ্য কোথায় শুরু? সৌরবিদ্যুৎ সুরক্ষায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি: চুরি ও নাশকতায় কারাদণ্ড-অর্থদণ্ড

জিএম কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচন, বাতিল চেয়ে নোটিশ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে

জি এম কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচন, বাতিল চেয়ে নোটিশ
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : জানুয়ারি ৩১, ২০২৪
জি এম কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচন, বাতিল চেয়ে নোটিশ

কোন আইনে জাতীয় পার্টির ১১ জন সংসদ সদস্য থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় বেতন-ভাতা দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ও কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে বিরোধী দলের উপনেতার প্রজ্ঞাপন বাতিল চাওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর এই নোটিশ পাঠান। জবাব না পেলে গত ২৮ জানুয়ারি প্রকাশিত গেজেটর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও পার্টির কো–চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে উপনেতার স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
নোটিশে বলা হয়, ভারতের লোকসভায় ১০ শতাংশ সদস্যসহ দ্বিতীয় স্থানে না থাকলে বিরোধী দলীয় নেতার পদ খালি থাকে, এমন আইন আছে। কিন্তু আমাদের দেশে নিয়োগের আইন নেই বা কত সংখ্যক এমপি থাকলে বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারবে তাও উল্লেখ নেই। সংসদে আইন করতে হবে, কতজন সংসদ সদস্য থাকলে বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারবেন। আইন না করা পর্যন্ত সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার পদ ভারতের মতো খালি থাকবে।
নোটিশে আরও বলা হয়, এই নিয়োগের ফলে সরকারের গাড়ি–বাড়ি ও অর্থ অপচয় হয়। জাতীয় পার্টি ১০ শতাংশ আসনও লাভ করেনি। ৩০০ আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৩০ জন সংসদ সদস্য থাকলে বিরোধী দলের নেতা হবে—এমন আইন থাকা জরুরি, অন্যথায় পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট