সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলা: রিমান্ডে দিশা আইনজীবী হলেই জনস্বার্থের দোহাই দিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা যায় না: হাইকোর্ট মিরপুরে ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, এলাকা রণক্ষেত্র শুধু নথিপত্র যাচাইয়ের অজুহাতে পুরোনো কর নির্ধারণ পুনরায় খোলার সুযোগ নেই: হাইকোর্ট ডিজিটালাইজেশন ও আইনজীবী কল্যাণে ঢাকা ট্যাক্সেস বার: ওকালতনামায় কিউআর কোড সংযোজন, চিকিৎসা সুবিধা ও স্থায়ী ঠিকানার স্বপ্নপূরণ পুলিশের ধাওয়ায় তুরাগে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তাহসিফ? দীপের বক্তব্যে নতুন তথ্য, পুরোপুরি আশ্বস্ত নয় পিবিআই একসঙ্গে দুই পেশা: সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে আইনজীবী সমিতির শোকজ মানবতাবিরোধী অপরাধ: সালমান-জিয়াউলদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন বার কাউন্সিলে নাকচ শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জালিয়াতি: আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে ঢাকা ছাড়তে নিষেধ আপিল বিভাগের বেলা ১১টায় এসে ২টায় চলে যাওয়া চলবে না’: বিচারকদের প্রতি আইনমন্ত্রীর কড়া বার্তা

শুনানিতে অসংলগ্ন কথা ও অস্বাভাবিক আচরণ: আইনজীবীর ‘ডোপ টেস্টের’ নির্দেশ আদালতের

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

শুনানিতে অসংলগ্ন কথা ও অস্বাভাবিক আচরণ: আইনজীবীর ‘ডোপ টেস্টের’ নির্দেশ আদালতের

​নিজস্ব প্রতিবেদক | আদালত বার্তা

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​চট্টগ্রামে আদালতে জামিন শুনানির সময় অসংলগ্ন কথা বলা ও অস্বাভাবিক আচরণের অভিযোগে শাহেদুল হক নামের এক আইনজীবীর ডোপ টেস্টের (মাদক পরীক্ষা) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার বিষয়টি আদালতপাড়ায় জানাজানি হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হালিশহর থানার একটি নালিশি মামলার আসামি এমরান চৌধুরীর জামিন আবেদনের শুনানি ছিল। আসামির আইনজীবী হিসেবে শাহেদুল হকের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও, নজিরবিহীনভাবে শুনানি শুরু করেন স্বয়ং বাদীপক্ষের আইনজীবী শ্যামলী চৌধুরী।

​এ সময় আদালত জানতে চান, বাদীপক্ষের আইনজীবী আসামির জামিনের শুনানি করতে পারেন কি না। জবাবে শ্যামলী চৌধুরী আদালতকে জানান, আসামির আইনজীবী শাহেদুল হক আদালতে আসতে চাইছেন না। তাই তিনি নিজেই জামিনের শুনানি করতে চান। একই সঙ্গে আসামির জামিন মঞ্জুরে তাঁর কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান তিনি।

​তবে আদালত জানান, জামিন শুনানিতে আসামির আইনজীবীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। এরপর আদালতের নির্দেশে বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে আইনজীবী শাহেদুল হক এজলাসে প্রবেশ করেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শুনানির সময় তিনি রীতিমতো অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ছিলেন। আদালতে তিনি অসংলগ্নভাবে বলেন, ‘আসামি ভুল করেছে, আর ভুল করবে না। আদালতের নিকট জামিন চাই।’

​আদেশে বিচারক আরও উল্লেখ করেন, বাদীপক্ষ আসামির জামিনে অনাপত্তি দিয়েছে—এটি স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করার কথা। কিন্তু শুনানির সময় আইনজীবী শাহেদুল হকের কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল এবং তাঁর পোশাক-পরিচ্ছদও স্বাভাবিক ছিল না। এ অবস্থায় তিনি মদ্যপান করে এসেছেন বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়। এ কারণে তাঁকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডোপ টেস্ট করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

​এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঈনুদ্দীন বলেন, “আদালত এক আইনজীবীর ডোপ টেস্টের নির্দেশ দিয়েছেন বলে আমরা শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আদেশ বা প্রতিবেদন আমরা পাইনি।”

​আদালতকক্ষে আইনজীবীর এমন অস্বাভাবিক আচরণ এবং বিচারকের ডোপ টেস্টের এই নির্দেশ চট্টগ্রামের আইনজীবী ও সচেতন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট