1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
সাকরাইন বা পৌষ সংক্রান্তি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব - আদালত বার্তা
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
একুশ শতকের দক্ষতা অর্জন: আধুনিক সমাজে সফলতার চাবিকাঠি। লিখিত বার পরীক্ষায় সাফল্যের কৌশল আইনজীবী হতে চাইলে প্রস্তুতিতে আনুন কৌশলগত পরিবর্তন বাংলাদেশের আইন পেশার ভবিষ্যৎ: আদালতের বারান্দা থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রযুক্তি, প্রতিযোগিতা ও পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশের আইন পেশা কি নতুন রূপ নিচ্ছে? শিশু রামিসা হত্যা: ফাঁসির ২ আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট রক্তাক্ত মানুষ, নির্লিপ্ত সমাজ: কমলাপুরের ঘটনা মানবতার সংকটের আরেক নির্মম উদাহরণ ঢাকার ইতিহাসে নতুন দিগন্ত: নাজিমুদ্দিন রোডের খননে মিলল ৬০০ বছরের প্রাচীন দুর্গ, ইঙ্গিত আড়াই হাজার বছরের পুরোনো জনপদের রাজধানীর যানজট নিরসনে বড় উদ্যোগ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় ইস্যুতে আপিল শুনানি ১ সেপ্টেম্বর ৭ দিনেই বিচারকার্য সম্পন্নবাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলার রায় বুধবার আইনজীবীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার ঘাটতি কি ন্যায়বিচারের পথে নতুন বাধা?

সাকরাইন বা পৌষ সংক্রান্তি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

সাকরাইন বা পৌষ সংক্রান্তি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তাঃ১৪ জানুয়ারি ২০২৫।

সাকরাইন বা পৌষ সংক্রান্তি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব, যা প্রতি বছর পৌষ মাসের শেষ দিনে (সংক্রান্তি) উদযাপিত হয়। এটি মূলত পুরান ঢাকায় খুব ধুমধামের সঙ্গে পালন করা হয় এবং ঢাকার সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ। এই উৎসবটি মকর সংক্রান্তি নামেও পরিচিত, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যেও প্রচলিত।

  • উৎসবের বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

ঘুড়ি উৎসব:
সাকরাইনের প্রধান আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো। এই দিনে ঢাকার আকাশ রঙিন ঘুড়িতে ভরে যায়। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ঘুড়ি কাটার মজাও চলে।

  • আলো ও আতশবাজি:
    সন্ধ্যার পর আতশবাজি ও ফানুস উড়ানোর মাধ্যমে উৎসব আরও রঙিন হয়ে ওঠে। বাড়ির ছাদে আলোর ঝলকানি আর গান-বাজনা পরিবেশকে জীবন্ত করে তোলে।
  • খাবার
    সাকরাইন উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন পিঠা, খৈ, মুড়ি, চিড়া, এবং বিভিন্ন মিষ্টি তৈরি করা হয়। ঢাকার বিশেষ মশলাদার খাবারও এই উৎসবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান:
সাকরাইনের সময় পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গান, নাচ, এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।বর্তমানে এর সাথে যুক্ত হয়েছে ডিজে সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে উচ্চস্বরে গান পরিবষণ তার সাথে নেচে গেয়ে আনন্দ উদযাপন করা। 

ঐতিহ্য ও গুরুত্ব:

সাকরাইন উৎসব মূলত ঐতিহ্যবাহী ঢাকাইয়া সংস্কৃতির অংশ। এটি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে একতার বার্তা দেয়। যদিও এটি মূলত ঢাকার পুরনো এলাকার উৎসব, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি সারা দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এই উৎসবটি পৌষ মাসের শেষ দিন প্রকৃতির পরিবর্তন এবং শীত বিদায়ের প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট