1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন - আদালত বার্তা
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গেছে ইরানের আকাশ, ঝরছে অদ্ভুত ‘কালো বৃষ্টি’ আল-আকসা বন্ধ, তবু থামেনি ইবাদত—রাস্তায় দাঁড়িয়ে নামাজে হাজারো ফিলিস্তিনি। চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদিতে ঈদ শুক্রবার আমাদের ব্যক্তিত্ব কাঠামোর এ প্রবণতা এমন সাত পাকে বাঁধা পড়েছে যে, এ থেকে মুক্ত হতে আমরা পারছি না সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য, ইউজিসিতে নতুন চেয়ারম্যান মামলা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে, গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধে কাজ করছে সরকার। বসায় সেহরি না বাহিরে করতে চান? যেতে পারেন ঢাকার এই ১২ জায়গায় নিষিদ্ধ বা স্থগিত ঘোষিত সংগঠনের এমন নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা, যারা জামিনে বেরিয়ে সংগঠনকে পুনর্গঠিত বা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় করতে সক্ষম—তাদের জামিনের পরপরই অন্য মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখাতে হবে এজলাসে ভাঙচুর, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আটক। পদত্যাগ করলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার.।

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২
  • ৯৫৮ বার পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন

১৯৭১ সনে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নে ২৫ নভেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সম্মেলনে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি
উত্থাপনকারী হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহের আলী।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ৫৭ জন শহীদ পরিবারের ওয়ারিশদের পক্ষ থেকে যে দাবিগুলো তুলে ধরেন তিনি
—- ৫৭ জন শহীদের তালিকাভুক্ত করে শহীদের নাম সরকারি ভাবে গেজেট ভুক্ত করতে হবে।
—-শহীদের গণকবর নিশ্চিত জায়গাটি রাষ্ট্রীয় ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
——শহীদ পরিবারের সদস্যগন/ ওয়ারিশগনকে রাষ্ট্রীয় ভাবে যে সমস্ত সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হন তা প্রদানের ব্যবস্তা করতে হবে।
—— ২৫ নভেম্বর ঘাটারচর সংগঠিত নৃশংস হত্যা কান্ডের শিকার সেই সমস্ত শহীদের স্মরনে দিবসটি পালনে প্রশাসনের উদ্যোগে ও শহীদ পরিবারের সদস্য নিয়ে তাদের স্মরন করা।
—-শহীদের স্মরনে একটি পাঠাগার নির্মানের ব্যবস্তা করা।
——যে সমস্ত শহীদ পরিবারের সদস্যগন দুস্হ, আসহায় ও দারিদ্র্যপীরিত তাদেরকে আর্থিক ভাবে সহায়তা প্রদান করা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট