1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
বিবাহ-তালাক নিবন্ধনে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেম চালুর রায় প্রকাশ - আদালত বার্তা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডিসির পর এবার ঢাকার পুলিশ সুপারও হলেন একজন নারী সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে প্রায় ৪০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেছে। আইনজীবীরা সমাজকে সচেতন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এবার জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে আবেদন ১৭৩ আইনজীবীর ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষেই রায় দিল নিউইয়র্ক আদালত ঢাকায় পরীক্ষামূলক ট্রাম সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, কমবে যানজট জেলা আইনজীবী সমিতিতে সদস্যভুক্তির নামে অস্বাভাবিক ফি নির্ধারণে চাপে পড়ছেন নবীন আইনজীবীরা। কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট আইনে দ্রুত বিচার

বিবাহ-তালাক নিবন্ধনে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেম চালুর রায় প্রকাশ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

বিবাহ-তালাক নিবন্ধনে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেম চালুর রায় প্রকাশ
নিউজ ডেস্ক আদালতঃ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

দেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের প্রক্রিয়া ডিজিটাল করতে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। 

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রায়ের অনুলিপি হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান। 

এই রায়ে সারা দেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের জন্য একটি কেন্দ্রীয়, সার্চযোগ্য ও টেম্পার-প্রুফ (পরিবর্তন অযোগ্য) ডিজিটাল সিস্টেম চালু করতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।

আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, দেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন এখনো মূলত ম্যানুয়াল পদ্ধতিনির্ভর হওয়ায় প্রতারণা, পূর্ববর্তী বিবাহ গোপন, রেকর্ড হারানো ও বিকৃতি এবং অতিরিক্ত ফি আদায়ের মতো ঘটনা ঘটছে। এর ফলে নারীদের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহে গুরুতর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, যা সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত মর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন ও আইনের সমতার অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে।
আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, মুসলিম ম্যারেজেস অ্যান্ড ডিভোর্সেস (রেজিস্ট্রেশন) অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর ধারা ২১(ক) অনলাইনে নিবন্ধনের অনুমতি দিলেও এবং জাতীয় আইসিটি নীতি ২০১৮ ও ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ভিশন প্রযুক্তিনির্ভর সেবার নির্দেশনা প্রদান করলেও সরকার এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেনি।

ডিজিটাল নিবন্ধনকে পারিবারিক নিরাপত্তা ও নাগরিক মর্যাদা রক্ষার অপরিহার্য উপাদান উল্লেখ করে আদালত রুল মঞ্জুর করেন এবং সরকারকে তিনটি নির্দেশনা প্রদান করেন–

১. সারা দেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের জন্য একটি কেন্দ্রীয়, সার্চযোগ্য ও টেম্পার-প্রুফ ডিজিটাল সিস্টেম চালু করতে হবে।

২. সব নাগরিকের, বিশেষ করে নারীদের জন্য সহজ ও স্বল্পব্যয়ে ডিজিটাল সার্টিফাইড কপি প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

৩. আগামী ৩ মাসের মধ্যে এই নির্দেশনার অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রতিবেদন (কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট) আদালতে দাখিল করতে হবে।

রিট আবেদনকারী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ‘আদালতের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত দেশের পরিবারের নিরাপত্তা, নারীর সুরক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং বিয়ে ও তালাক সংক্রান্ত প্রতারণা বন্ধে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে।’

তিনি মনে করেন, ডিজিটাল নিবন্ধন চালু হলে একাধিক বিয়ে লুকানো বা তালাক প্রমাণের জটিলতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে এবং সমাজে সুবিচার প্রতিষ্ঠার পথ সুদৃঢ় হবে।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী তানজিলা রহমান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট