বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
Title :
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না কমিশন : সিইসি এনআইডিতে ছবির বিকল্প নেই, হাইকোর্টে রুল খারিজ চেকের মামলায় পাওনা শোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট রংপুর আইনজীবী সমিতিতে ভোটাধিকার ও ‘কালাকানুন’ বাতিলের দাবিতে দিনভর উত্তেজনা: সন্ধ্যায় সমঝোতা ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি

​বিশেষ প্রতিবেদক, আদালত বার্তা

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর:

​একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য স্বাধীন গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই। “গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে”—রাষ্ট্রপতির দেওয়া এই সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী বক্তব্যটি আজ দেশের সব মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যমের বর্তমান সংকট এবং তা উত্তরণে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আসা এই আহ্বানের প্রেক্ষিতে আজকের বিভিন্ন সংবাদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করে ‘আদালত বার্তা’র এই বিশেষ প্রতিবেদন।

​বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করেছেন যে, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটির অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। বর্তমানে নানামুখী বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, বিজ্ঞাপনের সংকোচন, কাগজের মূল্যবৃদ্ধি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আগ্রাসনের কারণে মূলধারার সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো টিকে থাকার এক কঠিন লড়াই করছে। এই অবস্থায় গণমাধ্যমের সুরক্ষায় রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

​আজকের সংবাদ ও বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা

রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের পর আজ দিনভর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, সাংবাদিক সংগঠন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আজকের সংবাদগুলোর মূল নির্যাস পর্যালোচনা করলে যে বিষয়গুলো উঠে আসে:

  • ​সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সাধুবাদ: দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন ও ইউনিয়নগুলো রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা উল্লেখ করেছেন যে, সর্বোচ্চ অভিভাবকের এই উপলব্ধি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। তবে তারা গণমাধ্যম শিল্পকে বাঁচাতে দ্রুত প্রণোদনা ও নীতিগত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
  • ​অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি: সংবাদমাধ্যমগুলো আজ তাদের সম্পাদকীয় ও উপ-সম্পাদকীয়তে তুলে ধরেছে যে, গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হলে সবার আগে এর অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। গণমাধ্যম আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী না হলে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হয়।
  • ​সুশীল সমাজের মত: বিশিষ্টজনরা আজকের বিভিন্ন টকশো এবং বিবৃতিতে বলেছেন, গণতন্ত্রের স্বার্থেই তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ বা অর্থনৈতিক দৈন্যদশা পরোক্ষভাবে গণতন্ত্রকেই দুর্বল করে দেয়, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

​আদালত বার্তা’র পর্যবেক্ষণ

আইন ও বিচার বিষয়ক পত্রিকা হিসেবে ‘আদালত বার্তা’ মনে করে, রাষ্ট্রপতির এই বার্তা কেবল একটি বক্তব্য নয়, বরং এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি দিকনির্দেশনা। একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যেমন আদালতের স্বাধীনতা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি সমাজে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন একটি নির্ভীক ও শক্তিশালী গণমাধ্যম।

​গণমাধ্যম যদি অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক চাপে পিষ্ট হয়ে তার স্বাধীন সত্তা হারায়, তবে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। তাই রাষ্ট্রপতির এই আহ্বানের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকার, বেসরকারি খাত এবং সমাজের সব স্তরের মানুষকে বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের পাশে দাঁড়াতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট