রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
Title :
সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক: ‘জুলাই সনদ’ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় জোর ধর্মীয় পরিচয় নয়, অপরাধের বিচারই হোক—ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির প্রশ্ন  অবকাশের পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট: কাল আপিল বিভাগের ১ নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ, থাকছে প্রথাগত সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি

গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি

​বিশেষ প্রতিবেদক, আদালত বার্তা

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর:

​একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য স্বাধীন গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই। “গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে”—রাষ্ট্রপতির দেওয়া এই সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী বক্তব্যটি আজ দেশের সব মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যমের বর্তমান সংকট এবং তা উত্তরণে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আসা এই আহ্বানের প্রেক্ষিতে আজকের বিভিন্ন সংবাদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করে ‘আদালত বার্তা’র এই বিশেষ প্রতিবেদন।

​বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করেছেন যে, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটির অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। বর্তমানে নানামুখী বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, বিজ্ঞাপনের সংকোচন, কাগজের মূল্যবৃদ্ধি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আগ্রাসনের কারণে মূলধারার সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো টিকে থাকার এক কঠিন লড়াই করছে। এই অবস্থায় গণমাধ্যমের সুরক্ষায় রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

​আজকের সংবাদ ও বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা

রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের পর আজ দিনভর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, সাংবাদিক সংগঠন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আজকের সংবাদগুলোর মূল নির্যাস পর্যালোচনা করলে যে বিষয়গুলো উঠে আসে:

  • ​সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সাধুবাদ: দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন ও ইউনিয়নগুলো রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা উল্লেখ করেছেন যে, সর্বোচ্চ অভিভাবকের এই উপলব্ধি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। তবে তারা গণমাধ্যম শিল্পকে বাঁচাতে দ্রুত প্রণোদনা ও নীতিগত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
  • ​অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি: সংবাদমাধ্যমগুলো আজ তাদের সম্পাদকীয় ও উপ-সম্পাদকীয়তে তুলে ধরেছে যে, গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হলে সবার আগে এর অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। গণমাধ্যম আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী না হলে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হয়।
  • ​সুশীল সমাজের মত: বিশিষ্টজনরা আজকের বিভিন্ন টকশো এবং বিবৃতিতে বলেছেন, গণতন্ত্রের স্বার্থেই তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ বা অর্থনৈতিক দৈন্যদশা পরোক্ষভাবে গণতন্ত্রকেই দুর্বল করে দেয়, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

​আদালত বার্তা’র পর্যবেক্ষণ

আইন ও বিচার বিষয়ক পত্রিকা হিসেবে ‘আদালত বার্তা’ মনে করে, রাষ্ট্রপতির এই বার্তা কেবল একটি বক্তব্য নয়, বরং এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি দিকনির্দেশনা। একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যেমন আদালতের স্বাধীনতা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি সমাজে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন একটি নির্ভীক ও শক্তিশালী গণমাধ্যম।

​গণমাধ্যম যদি অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক চাপে পিষ্ট হয়ে তার স্বাধীন সত্তা হারায়, তবে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। তাই রাষ্ট্রপতির এই আহ্বানের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকার, বেসরকারি খাত এবং সমাজের সব স্তরের মানুষকে বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের পাশে দাঁড়াতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট