বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
Title :
আদালতে আইনজীবীর পোশাক: ঐতিহ্য, প্রতীক ও পেশাগত মর্যাদার প্রতিফলন বাংলাদেশের প্রথম নারী পাইলট রোকসানা: স্বপ্ন, সংগ্রাম ও এক মর্মান্তিক ইতিহাস প্রফেসর কাবেরী গায়েনকে ঘিরে বিতর্ক,অভিযোগ, প্রতিক্রিয়া ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন জয়সওয়াল বিদ্বেষমূলক কথা ছাড়া শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর গাজীপুরে ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য: অনিয়ম-অবহেলায় একযোগে বরখাস্ত ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম পরিচালনা করতে বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের সুবিধার্থে ডিএমপি’র বিশেষ নির্দেশনা ৩০ নভেম্বরের পর অকার্যকর হবে পুরোনো বিআইএন, নতুন নম্বর নেওয়ার নির্দেশ শান্তিরক্ষা মিশনে স্পেশাল প্লাটুন পাঠাতে কমিটি ইসরাইলকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সমরাস্ত্র নেই: মার্কিন জেনারেল

জিয়া পরিবার মানেই খুনি, খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩
  • ৪০৭ বার পড়া হয়েছে

জিয়া পরিবার মানেই খুনি, খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : ২১ আগস্ট ২০২৩
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
জিয়া পরিবারকে খুনি পরিবার আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জিয়া পরিবার মানেই হচ্ছে খুনি পরিবার। বাংলাদেশের মানুষ ওই খুনিকে ছাড়বে না। বাংলাদেশের মানুষ ওদের ছাড়বে না। এই বাংলাদেশে খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না।’

আজ সোমবার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতির সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর শহীদবেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনিসহ আওয়ামী লীগের নেতারা।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারের রায় প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, একুশ আগস্ট হত্যার বিচার হয়েছে। রায় হয়েছে। কাজেই এই রায় কার্যকর করা উচিত। কিছু আছে কারাগারে। কিন্তু মূল হোতা তো বাইরে। সে তো মুচলেকা দিয়ে বাইরে চলে গেছে। তো সাহস থাকলে আসে না কেন বাংলাদেশে?

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি সেই সুযোগ নিয়ে লম্বা লম্বা কথা বলে। আর কত হাজার হাজার কোটি টাকা চুরি করে চলে গেছে সেই টাকা খরচ করে। তো সাহস থাকলে বাংলাদেশে আসুক। ওদের কিছু লোক হয়। সেই দেখে লম্ফঝম্ফ। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষকে চেনেনি। এই বাংলাদেশে খুনিদের রাজত্ব আর চলবে না।’

২১ আগস্ট আহতদের জনগণের কাছে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের কাছে বলেন কী করে ওই খালেদা জিয়া-তারেক জিয়া আপনাদের জীবনটাকে ধ্বংস করেছে। কীভাবে দেশ লুটপাট করেছে। স্বাধীনতার চেতনা ধ্বংস করেছে। নিজেরা অর্থসম্পদের মালিক হয়েছে।

দেশবাসীকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ সজাগ থাকবে। ওই খুনিদের হাতে যেন এ দেশের মানুষ আর নিগৃহীত হতে না পারে। অগ্নি-সন্ত্রাস আর জুলুমবাজি করে এ দেশের মানুষকে হত্যা করতে না পারে। মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে। খুনি, দুষ্কৃতকারী, অস্ত্র চোরাকারবারি, ঘুষখোররা যেন মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে। ওই খুনিদের প্রতি ঘৃণা সকল জনগণের। সকলে তাদের ঘৃণা জানাবে। সবাই নিরাপদ থাকেন ভালো থাকেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যতক্ষণ বেছে আছি এ দেশের মানুষের সেবা করে উন্নত জীবন দিয়ে যাব। মর্যাদা নিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।’

বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে তারা ভোটের অধিকারের কথা বলে, আর কিছু আছে তাদের ভাড়া করা—তারা মানবাধিকারের কথা বলে। যারা বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্নে তোলে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন? আমরা যাঁরা আপনজন হারিয়েছি, আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মী তাদের আপনজন হারিয়েছে, বিএনপি-জামায়াতের কাছে তাদের মানবাধিকার কোথায়? আমরা বিচার পাইনি। আমরা কেন বিচার বঞ্চিত ছিলাম।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থা দেখি বাংলাদেশের মানবাধিকারের কথা বলে। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন? তাদের শেখানো বুলি যারা বলেন—এ দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন বারবার হয়েছে। যার মূল হোতা জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক জিয়াসহ জামায়াত যুদ্ধাপরাধীরা। তারা এখনো করে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে মানবাধিকার সংরক্ষণ হয়েছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘মানুষ ন্যায়বিচার পায়। কেউ অপরাধ করলে তার বিচার আমরা করি। কিন্তু আমরা তো বিচার পাইনি। কেন ৩৩ বছর সময় লেগেছে বিচার পেতে। কী অপরাধ করেছিলাম যে আমরা বিচার পাইনি। বিচারের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।’ এ সময় তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট