শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
Title :
অবকাশের পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট: কাল আপিল বিভাগের ১ নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ, থাকছে প্রথাগত সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি ফ্রান্সের অস্থিরতা: গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কোথায় শেষ, নৈরাজ্য কোথায় শুরু? সৌরবিদ্যুৎ সুরক্ষায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি: চুরি ও নাশকতায় কারাদণ্ড-অর্থদণ্ড

জুনিয়রদের শিক্ষার অভাব, জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের দায়ী করলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান 

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩
  • ৪৮৯ বার পড়া হয়েছে

জুনিয়রদের শিক্ষার অভাব, জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের দায়ী করলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা ঃ ১২ আগস্ট, ২০২৩
আইনপেশায় জুনিয়রদের যে শিক্ষার অভাব সেটার জন্য জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের দায়ী করলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে ‘ল’জ অন লিগ্যাল প্রাকটিশনারস ইন বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, আমি এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলবো, এখানে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান (অ্যাটর্নি জেনারেল) আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন আছেন। বার কাউন্সিলের অধীনে হাইকোর্ট পারমিশনের ভাইভা নিচ্ছি (চলমান)। মানের (নতুন আইনজীবীরা) দিক থেকে অত্যন্ত কম মানের। এতো কম মানের অ্যাডভোকেট হলে তো মুশকিল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখানে আমার সামনে অনেকে বসে আছেন যাদের অনেকে অনেকদিন ধরেই প্র্যাকটিস (সুপ্রিম কোর্টে) করছেন। আপনাদের সঙ্গে অনেকেই আর্টিকেলশিপ (জুনিয়র আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস) করেন। আপনাদের সঙ্গে কোর্টে ঘোরাঘুরি (প্র্যাকটিস) করেন। আমরা যখন তাদের সিনিয়রের নাম জানতে চাই তখন তারা আপনাদের (সিনিয়রদের) নাম বলে। তখন তাকে জিজ্ঞাসা করি (ভাইভা বোর্ডে), তুমি কোন কোর্টে গিয়েছো কী শিখেছো? তখন তারা বিচারকদের নাম বলতে পারে না (জজ সাহেবের নাম) বলে না, কোর্টের নম্বর বলে, জজ সাহেবের নাম বলতে পারে না। সুতরাং এই যে শিক্ষার অভাব এ জন্য আপনাদের (সিনিয়র আইনজীবীদের) কিছু না কিছু দায় রয়েছে।
এ সময় সিনিয়রদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের কাছে যারা আসবে তাদের শেখাবেন। নয়তো আপনাদের যেমন বদনাম হবে, তেমনি কম জানা মানুষ যদি সুপ্রিম কোর্টে এসে ওকালতি করেন, তাহলে কী হবে আমাদের ভবিষ্যতের অবস্থা?

সুপ্রিম কোর্টের এই বিচারপতি বলেন, আপনাদের সঙ্গে যারা কাজ করবে তারা দীর্ঘদিন এই কোর্ট দিয়ে হাঁটবে। এই হাঁটার সময় তারা সারাজীবনই কি স্লোগান দেবে নাকি শুধু ভাঙচুর করবে? নাকি লেখাপড়া শিখবে? নাকি কোর্টকে সহযোগিতা করবে? এর দায়-দায়িত্ব আপনাদের (সিনিয়র আইনজীবী) নিতে হবে।

আইনপেশা সম্পর্কে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, পড়াশোনায় ফাঁকি দেওয়ার জন্য জজ হয়েছিলাম। এতো পড়তে হয় আইনজীবীদের! ভাবলাম জজ হয়ে যাই। জজ হলাম। সেখানে গিয়ে দেখি আরও বিপদ। জজ হিসেবে আপনার মার্ক ধরে রাখতে পড়তেই হবে। বই পড়ার একটি সুবিধাও আছে। সাহায্য পাওয়া যায়। আইনজীবী যদি ভালো হন তাহলে সাহায্য আরও পাওয়া যায়।

এসময় মোড়ক উন্মোচিত করা বইটির বিষয়ে ভূয়সী প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন এবং সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট