শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
Title :
স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতা নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব জামায়াতের সংবিধানের মৌলিক কাঠামো অপরিবর্তনীয়, তবে সংস্কারের সুযোগ রয়েছে: তাজুল ইসলাম ৪৫ বছর পলাতক জীবনের পর ধরা পড়়়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যায় দণ্ডিত আসামি সাবেক মেজর মো. মোজাফফর হোসেন ইতিবাচক মনোভাব: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের চালিকাশক্তি ৮৬% মামলার তদন্ত ঝুলে আছে: ময়নাতদন্ত সংকট, তথ্যঘাটতি ও ঢালাও আসামির জটিলতা বিরোধীদল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জুলাইকে ব্যবহার করতে চায়: মির্জা ফখরুল অবৈধভাবে বসবাসরত প্রবাসীদের সুখবর দিল ইতালি। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐতিহাসিক রায় Pentagon Papers মামলায় যুক্তরাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত আদালত প্রাঙ্গণে ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক স্থাপনা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ভিসা না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, ৪ আসামি রিমান্ডে

তথ্যের উৎস প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিয়েছে আইন: হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ১১০৯ বার পড়া হয়েছে

তথ্যের উৎস (সোর্স) প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের আইনগতভাবেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে এক রায়ে অভিমত দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ঘটনা, পারিপার্শ্বিকতা ও আইনি দিক পর্যালোচনা করে এটি বলতে দ্বিধা নেই যে সাংবাদিকদের তথ্যের উৎস প্রকাশ না করতে সুরক্ষা দিয়েছে আইন।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ গত ২১ জুন ওই রায় দেন। রোববার (২৩ অক্টোবর) ৫০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়।

আদালত বলেছেন, দুর্নীতি ও দুর্নীতির চর্চা, মানি লন্ডারিংসহ জনস্বার্থ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ প্রকাশে সাংবিধানিক ও আইনগতভাবে এখতিয়ার রাখেন গণমাধ্যম ও সাংবাদিকেরা।

চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতা-সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ তুলে ধরে রায়ে বলা হয়, এমন স্বাধীনতা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে প্রয়োজন। একজন সাংবাদিকের অনুসন্ধানের মধ্যে গবেষণা, বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও যথাযথ অধ্যবসায় রয়েছে। এসব কারণে সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেন। তাঁরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

রায়ে আরো বলা হয়, আধুনিক বিশ্বে তথ্য জানার অধিকার মতামত প্রকাশের পূর্বশর্তের মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাংবাদিকেরা আইনের শাসন এবং গণতন্ত্র নিশ্চিতে ‘হেল্পিং হ্যান্ড’ (সহায়তাকারী) হিসেবে কাজ করেন, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো হিসেবে স্বীকৃত। গণতন্ত্রের প্রহরী হিসেবে কাজ করতে তাঁদের দক্ষ হতে হবে। সংবাদমাধ্যম সমাজের মানুষকে প্রতিটি বিষয়ে সচেতন করে।

একইসঙ্গে হলুদ সাংবাদিকতা সব সময় অননুমোদিত এবং আদৌ প্রশংসনীয় নয় উল্লেখ করে রায়ে বলা হয়, সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সংবাদমাধ্যমের মনোযোগী হওয়া উচিত।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews