1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
বাংলাদেশের ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়ের স্মারক - আদালত বার্তা
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অভিভাবকের অসচেতনতা ও অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে হারাচ্ছে শিশুর চোখের আলো রাজনীতি কি ক্রমেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে? ঢাকার জনঘনত্ব কমাতে এখনই দরকার সমন্বিত বিকেন্দ্রীকরণ কৌশল। একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট ক্ষতিপূরণ নয়, অধিকার প্রতিষ্ঠাই মুখ্য: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর প্রাসঙ্গিকতা মিথ্যা মামলা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভুয়া দাবি, জীবিত মানুষকেও দেখানো হয় মৃত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের ঘটনার অন্তত ১৪টি ভুয়া মামলার সন্ধান পেয়েছে পিবিআই সিটি করপোরেশন: সংবিধানসম্মত পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন দেড় বছরে ১৫ বিচারপতির বিদায়, অন্যদের জন্য ‘সতর্কবার্তা সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জা’মিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। শাহবাগে এক নারীর একক প্রতিবাদ: “ঢাকা বাঁচাতে হকার উচ্ছেদ জরুরি”—বিতর্কের কেন্দ্রে নতুন প্রশ্ন

বাংলাদেশের ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়ের স্মারক

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়ের স্মারক।

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, সম্পাদক, আদালত বার্তাঃ২৬ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়ের স্মারক। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে শুরু হওয়া মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতি অর্জন করে স্বাধীনতা—যা শুধু একটি ভূখণ্ডের মুক্তি নয়, বরং আত্মপরিচয়, ভাষা, সংস্কৃতি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অনন্য সংগ্রাম।
🇧🇩 স্বাধীনতার পটভূমিকায়
বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না; এটি ছিল দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে একটি সশস্ত্র প্রতিবাদ।
১৯৪৭ সালের বিভক্তির পর পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে অবহেলিত ছিল।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালির জাতীয় চেতনার ভিত্তি গড়ে তোলে।
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় উপেক্ষা করায় পরিস্থিতি চরমে পৌঁছে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর হামলার পর ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা আসে, যা মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে।
মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধের অবদানের কারনে দীর্ঘ
নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা।
মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতা
সাধারণ মানুষের ত্যাগ
আন্তর্জাতিক সমর্থন
সবকিছু মিলেই ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।
🎉 স্বাধীনতা দিবসে প্রতি বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয় গভীর শ্রদ্ধা ও আনন্দের সঙ্গে। এই দিনটি
শহীদদের স্মরণ করার দিন
জাতীয় পতাকা উত্তোলনের দিন
দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার দিন
স্কুল, কলেজ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের মানুষ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।
🌱 বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
স্বাধীনতার ৫৫ বছরে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন
অবকাঠামোগত উন্নতি
শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি
তবে এখনো চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে—দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য কমানো। স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করাই আমাদের দায়িত্ব।

৫৫তম স্বাধীনতা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—এই স্বাধীনতা অনেক ত্যাগের ফসল। তাই দেশপ্রেম, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসা প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য।
“আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি”—এই চেতনা বুকে ধারণ করে আমরা যেন একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি—এই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট