বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
Title :
দুজন স্থানীয় সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া তল্লাশি ও জব্দ বেআইনি: হাইকোর্ট সনদ হওয়ার পর, দক্ষতা ও সততাই নতুন আইনজীবীর পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তি ধানমন্ডির ফুটপাতে বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধর ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় যুবক আটক পরকালের জীবনে বিশ্বাসে এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ৯৮.৮ শতাংশ মানুষের বিশ্বাস মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা বাতিল চেয়ে আপিল করলেন হাসানুল হক ইনু চাকরিতে অর্জিত অধিকার ও পদোন্নতির যোগ্যতা নতুন বিধিতে বাতিল করা যাবে না: হাইকোর্ট ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ: আইনমন্ত্রী ছয় দশকে বদলে গেছে চারপাশ, রয়ে গেছে এরোপ্লেন মসজিদের ঐতিহ্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের কারাগারে বন্দি মায়ের সঙ্গে ৩০৩ শিশু: হাইকোর্টে প্রতিবেদন ​শিশুদের নিকটাত্মীয় বা সরকারি শিশু পরিবারে রাখার সুপারিশ

রফতানি পণ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে পাটখাত

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৯২৪ বার পড়া হয়েছে
পাট

চামড়াকে ছাড়িয়ে রফতানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে দেশের পাটখাত। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-আগস্ট ও সেপ্টেম্বর) পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে ৩০ দশমিক ৭৫ কোটি ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) প্রকাশিত রফতানির উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাসিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পাট মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাট ও পাটজাতপণ্যের এই রফতানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পাট খাত উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমানে রফতানি বাণিজ্যে চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পাট খাত।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, চলতি পাট মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, পাট চাষ নিশ্চিতে বীজ সরবরাহ সঠিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকার মানসম্মত পাটের উৎপাদন বাড়ানো ও পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে পাট অধিদফতরের আওতায় ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটি দেশের ৪৬টি জেলার ২৩০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাটচাষের উন্নত কলাকৌশল সম্পর্কে চাষীরা প্রশিক্ষিত হচ্ছে। এছাড়া গুণগত ও মানসম্মত পাট এবং পাটবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার কৃষকদের ৩৯০ টন পাটবীজ বিনামূল্যে বিতরণসহ সব ধরনের সহায়তা অব্যহত রেখেছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট