শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
Title :
সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক: ‘জুলাই সনদ’ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় জোর ধর্মীয় পরিচয় নয়, অপরাধের বিচারই হোক—ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির প্রশ্ন  অবকাশের পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট: কাল আপিল বিভাগের ১ নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ, থাকছে প্রথাগত সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি

সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক: ‘জুলাই সনদ’ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় জোর

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক: ‘জুলাই সনদ’ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় জোর

​স্টাফ রিপোর্টার, আদালত বার্তাঃ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা: রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও সাংবিধানিক কাঠামো সংস্কারের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক। আজ শনিবার সকাল ১১টায় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

​বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে কমিটির সদস্য ও দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবিধানিক ও আইন বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়ে ভবিষ্যৎ সংবিধানের রূপরেখা নিয়ে বিশদ মতামত তুলে ধরেন।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নবম বৈঠকে রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারের একাধিক মৌলিক বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পায়। এর মধ্যে প্রধান বিবেচ্য বিষয়গুলো ছিল:

  • ​বিচার বিভাগের প্রকৃত ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে সাংবিধানিক রক্ষা কবচ তৈরি।
  • ​গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর কার্যকর বাস্তবায়ন।
  • ​জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহতদের দীর্ঘমেয়াদি আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদান।
  • ​রাষ্ট্রের জাতীয় ও নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্তে কার্যকর গণভোট বা সরাসরি নাগরিক মতামত প্রতিফলনের সাংবিধানিক বিধান সংযোজন।
  • ​সামগ্রিক শাসনব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষায় সংবিধানের যুগোপযোগী পরিবর্তন ও পরিমার্জন।

​এর আগে সংবিধান সংস্কারের অংশ হিসেবে সমাজের বিভিন্ন অংশীজন, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী ও আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আটটি ধারাবাহিক বৈঠক সম্পন্ন করে কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সর্বস্তরের অংশীজনদের সাথে আলোচনা চূড়ান্ত করে পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রস্তুত করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনী বিল আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপনের প্রস্তুতি রয়েছে।

​সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা ও শাসনব্যবস্থায় জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগ নিশ্চিত করাই চলমান এই সংস্কার প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি হওয়া উচিত।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট