1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
সংবিধান সংশোধন হবে নাকি পুনর্লিখন, সর্বশেষ যা জানা গেল - আদালত বার্তা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আইনজীবীরা সমাজকে সচেতন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এবার জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জাতিসংঘে আবেদন ১৭৩ আইনজীবীর ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষেই রায় দিল নিউইয়র্ক আদালত ঢাকায় পরীক্ষামূলক ট্রাম সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, কমবে যানজট জেলা আইনজীবী সমিতিতে সদস্যভুক্তির নামে অস্বাভাবিক ফি নির্ধারণে চাপে পড়ছেন নবীন আইনজীবীরা। কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট আইনে দ্রুত বিচার একজন আইনজীবী হিসেবে কি ভাবে অল্প সময় ব্যারিস্টার হতে পারেন। তীব্র গরমের মধ্যে স্বস্তির খবর দিল আবহাওয়া অফিস

সংবিধান সংশোধন হবে নাকি পুনর্লিখন, সর্বশেষ যা জানা গেল

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৮২ বার পড়া হয়েছে

সংবিধান সংশোধন হবে নাকি পুনর্লিখন, সর্বশেষ যা জানা গেল
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ০৩, নভেম্বর

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. আলী রিয়াজ বলেছেন, সংবিধান সংশোধন হবে নাকি পুনর্লিখন হবে, সে বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারিশ করা হবে।

রোববার (৩ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সংবিধান সংস্কার বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

ড. আলী রিয়াজ এসময় বলেন, যেসব ব্যক্তি, সংগঠন, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা দল জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থেকেছে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়নকে সমর্থন করেছে, ফ্যাসিবাদী কার্যক্রমকে বৈধতা প্রদানে সাহায্য করেছে, কমিশন তাদেরকে সংস্কার প্রস্তাবের সুপারিশ তৈরিতে যুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কমিশন বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করবে। রাজনৈতিক দলগুলোর লিখিত মতামত নিবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করবে না।
ড. আলী রিয়াজ বলেন, ‘সংবিধানে থাকুক বা না থাকুক, নিঃসন্দেহে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পেছনে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন আছে। সেটা তো নিঃসন্দেহে ডকুমেন্টেড হতে হবে। এর বাইরে গিয়ে বা এই ইতিহাসকে পাশ কাটিয়ে আমরা জাতি হিসেবে কিছুই করতে পারব না। আমি মনে করি চব্বিশের গণমানুষের বিপ্লবকে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ করা শুধু জরুরিই নয়, অনিবার্যও বটে।’
এসময় সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান সাংবিধানিক সংস্কারের ৭টি উদ্দেশ্য জানান। এসবের মধ্যে আছে- দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রতিশ্রুত উদ্দেশ্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার এবং ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আলোকে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা; ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জনআকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটানো; রাজনীতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের ব্যবস্থা। এছাড়াও ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার উত্থান রোধ; রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ- নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা এবং বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ ও ক্ষমতার ভারসাম্য; রাষ্ট্র ক্ষমতা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকেন্দ্রীকরণ ও পর্যাপ্ত ক্ষমতায়ন; রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক এবং আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হবে সংবিধান সংস্কারের উদ্দেশ্য।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট