বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
Title :
অর্থঋণ আদালতের নিলাম চ্যালেঞ্জে রিট গ্রহণযোগ্য নয়: হাইকোর্ট ৩৮ হাজার কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি রোধে এনবিআরের নজরে ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান ফাইন্যান্স অ্যাক্ট, ২০২৬ বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পুলিশসহ সরকারি কর্মকর্তাদের নামে প্রতারণা: সতর্ক থাকার আহ্বান পুলিশ সদর দফতরের দেশের ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় রদবদল: ২৫ শীর্ষ পদে নতুন মুখ নিউজ ডেস্ক, আদালত বার্তা অসভ্যতা করাকে এখন বাহাদুরি মনে করা হয় : আফজাল হোসেন ইতিহাসের বয়ান, বৈশ্বিক রাজনীতি এবং বাংলাদেশের প্রাসঙ্গিকতা সাংবাদিকের নিবন্ধন: স্বাধীনতা নাকি নিয়ন্ত্রণের নতুন কাঠামো? ১৮০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি উদ্বিগ্ন নাগরিকদের যৌথ বিবৃতি শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে ঘিরে সামাজিক বিতর্ক ব্যক্তিস্বাধীনতা, পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক মূল্যবোধের নতুন বাস্তবতা

সংবিধান সংশোধন হবে নাকি পুনর্লিখন, সর্বশেষ যা জানা গেল

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩৭৩ বার পড়া হয়েছে

সংবিধান সংশোধন হবে নাকি পুনর্লিখন, সর্বশেষ যা জানা গেল
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ০৩, নভেম্বর

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. আলী রিয়াজ বলেছেন, সংবিধান সংশোধন হবে নাকি পুনর্লিখন হবে, সে বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারিশ করা হবে।

রোববার (৩ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সংবিধান সংস্কার বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

ড. আলী রিয়াজ এসময় বলেন, যেসব ব্যক্তি, সংগঠন, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা দল জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থেকেছে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়নকে সমর্থন করেছে, ফ্যাসিবাদী কার্যক্রমকে বৈধতা প্রদানে সাহায্য করেছে, কমিশন তাদেরকে সংস্কার প্রস্তাবের সুপারিশ তৈরিতে যুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কমিশন বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করবে। রাজনৈতিক দলগুলোর লিখিত মতামত নিবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করবে না।
ড. আলী রিয়াজ বলেন, ‘সংবিধানে থাকুক বা না থাকুক, নিঃসন্দেহে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পেছনে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন আছে। সেটা তো নিঃসন্দেহে ডকুমেন্টেড হতে হবে। এর বাইরে গিয়ে বা এই ইতিহাসকে পাশ কাটিয়ে আমরা জাতি হিসেবে কিছুই করতে পারব না। আমি মনে করি চব্বিশের গণমানুষের বিপ্লবকে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ করা শুধু জরুরিই নয়, অনিবার্যও বটে।’
এসময় সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান সাংবিধানিক সংস্কারের ৭টি উদ্দেশ্য জানান। এসবের মধ্যে আছে- দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রতিশ্রুত উদ্দেশ্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার এবং ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আলোকে বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা; ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জনআকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটানো; রাজনীতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের ব্যবস্থা। এছাড়াও ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার উত্থান রোধ; রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ- নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা এবং বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ ও ক্ষমতার ভারসাম্য; রাষ্ট্র ক্ষমতা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকেন্দ্রীকরণ ও পর্যাপ্ত ক্ষমতায়ন; রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক এবং আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হবে সংবিধান সংস্কারের উদ্দেশ্য।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট