বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
Title :
বাংলাদেশের প্রথম নারী পাইলট রোকসানা: স্বপ্ন, সংগ্রাম ও এক মর্মান্তিক ইতিহাস প্রফেসর কাবেরী গায়েনকে ঘিরে বিতর্ক,অভিযোগ, প্রতিক্রিয়া ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন জয়সওয়াল বিদ্বেষমূলক কথা ছাড়া শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনি বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর গাজীপুরে ভূমি অফিসে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য: অনিয়ম-অবহেলায় একযোগে বরখাস্ত ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা সিস্টেম পরিচালনা করতে বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াদের সুবিধার্থে ডিএমপি’র বিশেষ নির্দেশনা ৩০ নভেম্বরের পর অকার্যকর হবে পুরোনো বিআইএন, নতুন নম্বর নেওয়ার নির্দেশ শান্তিরক্ষা মিশনে স্পেশাল প্লাটুন পাঠাতে কমিটি ইসরাইলকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সমরাস্ত্র নেই: মার্কিন জেনারেল আদালত বার্তা বিশেষ প্রতিবেদন  নাইজেরিয়ায় “Barrister” উপাধি নিষিদ্ধ পেশাগত শৃঙ্খলা নাকি আইনগত সংস্কার?

সফর শেষে নতুন বার্তা দিয়ে গেলেন মার্কিন মুখপাত্র, রাজনীতিতে ভিন্ন আবাস। 

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে

সফর শেষে নতুন বার্তা দিয়ে গেলেন মার্কিন মুখপাত্র, রাজনীতিতে ভিন্ন আবাস।

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্ত ঃ ১৮অক্টোবর ২০২৩

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বিষয়ে তাঁদের অভিমত জানতে চেয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের কাছে জানতে চেয়েছেন ভিসা নীতির মতো মার্কিন পদক্ষেপ সুষ্ঠু নির্বাচনে কতটা ভূমিকা রাখছে বা রাখবে।

চা-চক্রে উপস্থিত দুই অতিথি দেশের একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিষয়টি নিয়ে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে তাঁরা জনগণের অংশগ্রহণ এবং দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের অংশ নেওয়ার ওপর জোর দেন। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের ভোট পাওয়ার হার প্রায় সমান। তাই পছন্দের দল ও প্রার্থী বেছে নেওয়ার সুযোগ জনগণকেই দিতে হবে।

এ সময় আফরিন আক্তার অতিথিদের জানান, যুক্তরাষ্ট্রও চায় জনগণ ভোট দিক। অবশ্যই যেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে তাদের পছন্দ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার যথাযথ সুযোগ থাকে।

চা-চক্রে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশের জনগণকেই ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের গতিপথ নির্ধারণের চাবিকাঠি এ দেশের জনগণের হাতে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে, এমনটা যাতে মনে না হয়।

অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশ বারবার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। এরপরও যুক্তরাষ্ট্র কেন এ বিষয়টিতে জোর দিচ্ছে। এ নিয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কূটনীতিক এই প্রতিবেদককে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে অঙ্গীকার নয়, বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখতে চায়। তাই বাংলাদেশ যেন তার অঙ্গীকার যথাযথভাবে পূরণ করে, সে জন্য একধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ অব্যাহত রাখছে।

বাংলাদেশে এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এসেছেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কাউন্সেলর ডেরেক শোলে, আন্ডার সেক্রেটারি আজরা জেয়া, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু এবং বৈশ্বিক দুর্নীতি দমন বিভাগের সমন্বয়ক রিচার্ড নেফিউ।

এ ছাড়া ভারতে জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের। সর্বশেষ গত মাসে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।

জানতে চাইলে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবীর দেশের একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সব দলের অংশগ্রহণে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। এই প্রত্যাশা থেকে তারা বারবার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের কথা বলে আসছে। এটি যেন হয়, তাই তারা সবাইকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘কাজেই আফরিন আক্তার বাংলাদেশের ওপর তাঁর দেশের তীক্ষ্ণ নজরের কথা বলতে গিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তাঁদের আকাঙ্ক্ষার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। কারণ, বাংলাদেশের ভবিষ্যতের পথে যে সম্ভাবনাগুলো আছে, তার আলোকে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত থাকতে চায়।’

হুমায়ুন কবীর মনে করেন, নির্বাচন যদি অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ হবে—এই বার্তাই আফরিন আক্তার দিয়ে গেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট