বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্রসফায়ার’ বন্ধ, অপরাধ দমনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশনের প্রস্তাব পুলিশের বঙ্গবন্ধুর “অসমাপ্ত আত্মজীবনী”: এক অনন্য ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক দলিলের বিচার-বিশ্লেষণ বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক সংকট ও নৈতিক দ্বন্দ্ব: একটি বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদন বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন হয়রানি: বৈধ যাত্রীদের বাধা দেওয়ায় হাইকোর্টের কড়া রুল ও নির্দেশনা রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিতে বাধা: আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রকাশকদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর খালাস পাওয়ার পরও ৮ বছর কারাগারে: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের রুল অনুমোদনহীন ২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে লেনদেনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা বণ্টন মামলায় পৃথক স্বত্ব ঘোষণার মামলা ছাড়াই স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করা যায়: হাইকোর্ট

সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সাংবাদকর্মীরা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ১১৪০ বার পড়া হয়েছে

সংবাদপত্রকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সংবাদকর্মীরা সেই স্তম্ভেরেই অংশ।সাংবাদিকতা অনেক অধিকার, অধিকারহীনতা, পাওয়া, না-পাওয়ার বঞ্চনা, অনেক আশা-নিরাশার পাকেচক্রে বাঁধা এক জীবন। সব দুঃখ-বেদনা পেরিয়ে এসেও শেষ পর্যন্ত এ পেশাটি এক ধরনের অহংকারই বটে । এ পেশায় সবচেয়ে বড় অহংকার শেষ পর্যন্ত মানুষ এবং মানুষের জন্য কাজ করার তৃপ্তি। এ পেশার ব্যক্তিকে শেষ পর্যন্ত এসে মিলিত হতে হয় সাধারণ মানুষের কাতারে। কলম ধরতে হয় দেশের দুর্বল, নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে। এ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে কখনও আপস করেনি সাংবাদিকরা।
দেশের দুর্বল, নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষ মনে করেন সাংবাদিরা তাদের কথা তুলে ধরলে তাদের সমস্যার সমাধান হবে। দেশবাসী জানবেন, সরকারের দৃষ্টিতে পড়বে, সরকার আমলে নেবে। তাই এখনও সব রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী প্রতিনিধি, বঞ্চিত, বিক্ষুব্ধ মানুষ ছুটে আসেন সাংবাদিকদের কাছে।
সাংবাদিকতা একটি বিশ্বাস, আস্থার ও ভরসার প্রতীক মাত্র। এ প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা খুব একটা ক্ষমতার অধিকারীও নন। তারা সহানুভূতিপূর্ণ হৃদয়ে সতথ্য প্রতিবেদনে তাদের কথা তুলে ধরেন পত্রিকার পৃষ্ঠায়, টেলিভিশনের পর্দায়, রেডিও’র তরঙ্গে। তা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিতে পড়ে, কানে ঢোকে- তারাও সমব্যথী হয়ে ওঠেন মানুষের প্রতি আর তার ফলেই প্রশস্ত হয় প্রতিকারের পথ। মানুষের বঞ্চনার অবসান ঘটে।
আর এ কারণেই এই প্রতিষ্ঠান, এ পেশার মানুষের ওপর এখনও দেশের মানুষ তথা জনতা, জনপ্রতিনিধিদের আস্তার ও ভরসা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট