বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
Title :
আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে শেখ হাসিনার আবেদন: আইনি অধিকার ও আন্তর্জাতিক সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগ ১ নভেম্বর খুলছে সেন্ট মার্টিন: দৈনিক সাড়ে তিন হাজার পর্যটকের সীমা ও পরিবেশবিধির কড়া নজরদারি। কণ্ঠশীলনের ‘শ্রুতি সমাহার’: এক মঞ্চে চার প্রযোজনার নান্দনিক পরিবেশনা আইনজীবীর সিল জালিয়াতি করে ভুয়া দলিল: ফেঁসে যাচ্ছেন আসল আইনজীবীরা, ঢাকা বার থেকে টাউট আটক। আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করল বার কাউন্সিল: কার্যকর ২০৩০ সাল থেকে এনএসআই প্রধানের হঠাৎ দিল্লি সফর: প্রত্যর্পণ আইনি প্রক্রিয়ায়, আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ জাতীয় রূপান্তর ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ: নিরপেক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও সামাজিক সংহতির প্রাসঙ্গিকতা কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকা ডালিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন: রিমান্ড ও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির আবেদনসহ ৩ আসামি আদালতে সোপর্দ সনদ সমর্পণ না করে অন্য পেশা ও বাণিজ্যে যুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট ২০২৭ সালের রমজান, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সাংবাদকর্মীরা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ১১৭৯ বার পড়া হয়েছে

সংবাদপত্রকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সংবাদকর্মীরা সেই স্তম্ভেরেই অংশ।সাংবাদিকতা অনেক অধিকার, অধিকারহীনতা, পাওয়া, না-পাওয়ার বঞ্চনা, অনেক আশা-নিরাশার পাকেচক্রে বাঁধা এক জীবন। সব দুঃখ-বেদনা পেরিয়ে এসেও শেষ পর্যন্ত এ পেশাটি এক ধরনের অহংকারই বটে । এ পেশায় সবচেয়ে বড় অহংকার শেষ পর্যন্ত মানুষ এবং মানুষের জন্য কাজ করার তৃপ্তি। এ পেশার ব্যক্তিকে শেষ পর্যন্ত এসে মিলিত হতে হয় সাধারণ মানুষের কাতারে। কলম ধরতে হয় দেশের দুর্বল, নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে। এ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে কখনও আপস করেনি সাংবাদিকরা।
দেশের দুর্বল, নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষ মনে করেন সাংবাদিরা তাদের কথা তুলে ধরলে তাদের সমস্যার সমাধান হবে। দেশবাসী জানবেন, সরকারের দৃষ্টিতে পড়বে, সরকার আমলে নেবে। তাই এখনও সব রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী প্রতিনিধি, বঞ্চিত, বিক্ষুব্ধ মানুষ ছুটে আসেন সাংবাদিকদের কাছে।
সাংবাদিকতা একটি বিশ্বাস, আস্থার ও ভরসার প্রতীক মাত্র। এ প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা খুব একটা ক্ষমতার অধিকারীও নন। তারা সহানুভূতিপূর্ণ হৃদয়ে সতথ্য প্রতিবেদনে তাদের কথা তুলে ধরেন পত্রিকার পৃষ্ঠায়, টেলিভিশনের পর্দায়, রেডিও’র তরঙ্গে। তা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিতে পড়ে, কানে ঢোকে- তারাও সমব্যথী হয়ে ওঠেন মানুষের প্রতি আর তার ফলেই প্রশস্ত হয় প্রতিকারের পথ। মানুষের বঞ্চনার অবসান ঘটে।
আর এ কারণেই এই প্রতিষ্ঠান, এ পেশার মানুষের ওপর এখনও দেশের মানুষ তথা জনতা, জনপ্রতিনিধিদের আস্তার ও ভরসা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট