1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
সাকরাইন বা পৌষ সংক্রান্তি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব - আদালত বার্তা
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদের ওপর আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে আয়কর ধার্য হতে পারে সুপ্রিম কোর্টে ভার্চুয়ালি ৭০৭টি মামলার শুনানি, ১৭৭টি নিষ্পত্তি। সৃজনশীল মানুষের সংগ্রাম: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তনু হত্যার ১০ বছর পর প্রথম আসামি কেরাণীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে যারা মনোনীত হলেন। সরকার, গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সংসদে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়ছে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ১৩-১৪ মে বাজেট ২০২৬-২৭ জমির বাজারমূল্যে দিতে হবে ‘সম্পদ কর’ বললেন ডিএমপি কমিশনার বিকল্প সড়ক চালু হলে কুড়িল–রামপুরার যানজট অনেকাংশে কমবে

সাকরাইন বা পৌষ সংক্রান্তি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

সাকরাইন বা পৌষ সংক্রান্তি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তাঃ১৪ জানুয়ারি ২০২৫।

সাকরাইন বা পৌষ সংক্রান্তি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি উৎসব, যা প্রতি বছর পৌষ মাসের শেষ দিনে (সংক্রান্তি) উদযাপিত হয়। এটি মূলত পুরান ঢাকায় খুব ধুমধামের সঙ্গে পালন করা হয় এবং ঢাকার সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ। এই উৎসবটি মকর সংক্রান্তি নামেও পরিচিত, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যেও প্রচলিত।

  • উৎসবের বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

ঘুড়ি উৎসব:
সাকরাইনের প্রধান আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো। এই দিনে ঢাকার আকাশ রঙিন ঘুড়িতে ভরে যায়। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ঘুড়ি কাটার মজাও চলে।

  • আলো ও আতশবাজি:
    সন্ধ্যার পর আতশবাজি ও ফানুস উড়ানোর মাধ্যমে উৎসব আরও রঙিন হয়ে ওঠে। বাড়ির ছাদে আলোর ঝলকানি আর গান-বাজনা পরিবেশকে জীবন্ত করে তোলে।
  • খাবার
    সাকরাইন উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন পিঠা, খৈ, মুড়ি, চিড়া, এবং বিভিন্ন মিষ্টি তৈরি করা হয়। ঢাকার বিশেষ মশলাদার খাবারও এই উৎসবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান:
সাকরাইনের সময় পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গান, নাচ, এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।বর্তমানে এর সাথে যুক্ত হয়েছে ডিজে সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে উচ্চস্বরে গান পরিবষণ তার সাথে নেচে গেয়ে আনন্দ উদযাপন করা। 

ঐতিহ্য ও গুরুত্ব:

সাকরাইন উৎসব মূলত ঐতিহ্যবাহী ঢাকাইয়া সংস্কৃতির অংশ। এটি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে একতার বার্তা দেয়। যদিও এটি মূলত ঢাকার পুরনো এলাকার উৎসব, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি সারা দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এই উৎসবটি পৌষ মাসের শেষ দিন প্রকৃতির পরিবর্তন এবং শীত বিদায়ের প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট