বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
Title :
ফ্রিল্যান্সিং খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিপ্লব: টিকে থাকতে ফ্রিল্যান্সারদের করণীয় কী? প্রশিক্ষণ নিতে জাপান যাচ্ছেন ১৭ বিচারক ও ৬ আইনজীবী নস্টালজিয়ার এক ঝলক: পুরান ঢাকায় যখন দাপিয়ে বেড়াত ঐতিহ্যবাহী ‘মুড়ির টিন’ কেন আন্দোলনে যাবো না?’— ১৪ বছরের ইমনের রক্তাক্ত পরিণতির কথা ট্রাইব্যুনালে জানালেন মা স্নেহের আঁচলে মহত্তম আত্মত্যাগ: মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির তিন অমর শিক্ষিকা ও আমাদের বাস্তবতা বাধার পাহাড় পেরিয়েই সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে হয় সংগ্রাম, ব্যর্থতা ও প্রতিকূলতাই মানুষকে সাফল্যের প্রকৃত মূল্য শেখায় দেনমোহর আদায়ে বাধ্য করা হলে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারবেন আদালত: হাইকোর্ট কর ফাঁকি ধরতে এনবিআরের এআই প্রযুক্তি: কড়া নজরে বিলাসবহুল গাড়ির মালিকরা কক্সবাজার থেকে মিয়ানমার হয়ে সরাসরি চীন: বাংলাদেশের সামনে ভূ-অর্থনীতির নতুন দিগন্ত বৈধ ভিসা থাকলেই প্রবেশের অধিকার নিশ্চিত নয়: দিল্লি হাইকোর্ট

সব দল না থাকলে নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না’

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫১১ বার পড়া হয়েছে

‘সব দল না থাকলে নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না’

৪ ব্রিটিশ এমপির বিবৃতি
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশের আগামী সংসদ নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার আহ্বান জানিয়েছেন চার ব্রিটিশ এমপি। তারা বলেছেন, সব দলের অংশগ্রহণ না থাকলে কোনো নির্বাচনকে ‘গণতান্ত্রিক’ বলা যায় না। হাউস অব কমন্সের এই চার এমপি হলেন— বব ব্ল্যাকম্যান, জিম শ্যানন, জ্যাস আথওয়াল এবং ক্রিস ল।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে।

“নৈতিক বিবেচনাবোধ সম্পন্ন প্রত্যেক মানুষই আশা করেন, এই নির্বাচন একটি ন্যায়সঙ্গত, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে। তবে তখনই সেটা সম্ভব হবে, যখন নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টিতে নিরপেক্ষ।”

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গেল বছরের মে মাসে আওয়ামী লীগের সব ধরনের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। একই মাসে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনও স্থগিত করা হয় তাদের।

এ ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে বিবৃতিতে চার ব্রিটিশ এমপি বলেন, “আমরা উদ্বিগ্ন যে, ব্যাপক জনসমর্থন থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর বর্তমানে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এক্ষেত্রে জাতিসংঘের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের মিত্রদের পরামর্শ উপেক্ষা করা হয়েছে।

“মুক্ত, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন না হলে বাংলাদেশের লাখ লাখ সাধারণ নাগরিক ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন এবং তারা ভোট দিতেই যাবেন না।”

বিবৃতিতে বলা হয়, “সব প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না। বাংলাদেশের ভোটারদের ওপর এমন বিধিনিষেধ আরোপ করা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত হয়নি, যারা কিনা নিজেরাই অনির্বাচিত।”

বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে ‘চরমভাবে বিভক্ত’ মন্তব্য করে চার ব্রিটিশ এমপি বলেছেন, “এর দায় বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলেরই কিছু না কিছু রয়েছে। কিন্তু জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে এবং থমকে যাওয়া অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আবার গতিশীল করতে ভবিষ্যতের যেকোনো সরকারকে জনগণের সম্মতির ভিত্তিতে দেশ চালাতে হবে।

“এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে রাজনৈতিক বহুত্ববাদের একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে, যেখানে বিরোধী দলগুলো গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারবে।”

যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশের ‘অন্যতম ঘনিষ্ঠ অংশীদার’ হিসেবে তুলে ধরে তারা বলেন, “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আটক, বিচার ব্যবস্থার কাঠামোগত ব্যর্থতা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নির্বিচারে গ্রেপ্তারের বিশ্বাসযোগ্য তথ্য আমাদের উদ্বিগ্ন করেছে।

“আমরা ব্রিটিশ সরকারসহ জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—ড. ইউনূস যেন গণতান্ত্রিক নীতির প্রতি তার অঙ্গীকার বজায় রাখেন; বাংলাদেশের সব নাগরিকের নাগরিক অধিকার রক্ষা করেন এবং মুক্ত, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করেন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট