শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
Title :
১৫ দিনে একবার দেখা: অতিরিক্ত বন্দীতে লালমনিরহাট কারাগারে স্বজনদের চরম দুর্ভোগ হাইকোর্টের জামিনের পরও বন্দি মুক্তি না পাওয়ার অভিযোগ: চট্টগ্রাম জেল সুপারকে আদালতের শোকজ জামায়াত একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে: আইনমন্ত্রী শুনানিতে অসংলগ্ন কথা ও অস্বাভাবিক আচরণ: আইনজীবীর ‘ডোপ টেস্টের’ নির্দেশ আদালতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে বিচারকের ফেসবুক পোস্ট: সমালোচনা ও বিতর্ক আসামির কাঠগড়ায় আইনজীবী আবুল বাশার: নিজের মামলায় নিজেই লড়লেন, জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠালেন ম্যাজিস্ট্রেট। আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইবে দুদক, সম্পদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে চিঠি আসামিদের অনুপস্থিতিতে বিচার ও তড়িঘড়ি রায়: ট্রাইব্যুনালের আদেশে সাংবাদিক ফ্রন্টের গভীর উদ্বেগ মির্জা আব্বাসের সময়োপযোগী সতর্কবার্তা: ‘আমলারা সবাই চোর’—এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য কেন? আদালত অবমাননা’: সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনালে তলব

হাইকোর্টের জামিনের পরও বন্দি মুক্তি না পাওয়ার অভিযোগ: চট্টগ্রাম জেল সুপারকে আদালতের শোকজ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

হাইকোর্টের জামিনের পরও বন্দি মুক্তি না পাওয়ার অভিযোগ: চট্টগ্রাম জেল সুপারকে আদালতের শোকজ
​আদালত বার্তা,  প্রতিবেদক, চট্টগ্রামঃ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরও এক হাজতিকে মুক্তি না দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন আদালত।
​বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত এই আদেশ দেন। আদেশে আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে সিনিয়র জেল সুপারকে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
​আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী হাজতি ইলিয়াছ হোসেন নগরের চকবাজার এলাকার বাসিন্দা এবং ওমর গণি এমইএস কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। গত ৬ জুন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া তিনটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
​পরবর্তীতে গত ৭ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান তিনি। জামিননামার প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিম্ন আদালতের নথি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ গত বুধবার দুপুর ১২টায় গ্রহণ করে।
​আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এফ এম আনসার উল্লাহ আদালতে অভিযোগ করে বলেন:
​প্রয়োজনীয় জামিননামা কারা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করার পরও ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও আসামিকে মুক্তি দেওয়া হয়নি।
​সংশ্লিষ্ট আসামির বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলায় প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট (পি-ডব্লিউ) বা কাস্টডি ওয়ারেন্ট (সি-ডব্লিউ) পেন্ডিং নেই।
​কোনো আইনি বাধা ছাড়া উচ্চ আদালতের আদেশের পরও আসামিকে আটকে রাখা বিচারিক আদেশের সুস্পষ্ট অবমাননা ও বেআইনি পদক্ষেপ।
​অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন জানান, কোনো আসামিকে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে আটকে রাখার সুযোগ নেই। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়ার মধ্যে নথিপত্র সংক্রান্ত কোনো কারিগরি ত্রুটি ঘটতে পারে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আদালতের শোকজের লিখিত জবাব দাখিল করা হবে এবং অনিচ্ছাকৃত ভুলের ক্ষেত্রে আদালতের কাছে মার্জনা প্রার্থনা করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট