বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
Title :
এক বছরে ২৫ লাখে মামলা কমানোর চেষ্টা সরকারের: আইনমন্ত্রী আলোচনায় হাসিনার দেশে ফেরা চলছে নানা গুঞ্জন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবেন না, জানালো ইসি  সাংবাদিকতার পেশায় আইনি জ্ঞান ও পেশাগত দায়বদ্ধতা: সত্য অনুসন্ধানের অপরিহার্য ভিত্তি এমপি নজরুল ইসলামের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে, অবশেষে যে সিদ্ধান্ত নিলো জামায়াত আইনজীবীদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রধান বিচারপতির কঠোর উদ্বেগ বিচারকের সই-সিল জাল : আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: তারেক রহমান আয়কর নিরীক্ষায় পড়লে কী করবেন? ১০ প্রশ্নের উত্তর সংস্কৃতি কি নিরপেক্ষ থাকতে পারে—নাকি অনিবার্যভাবে মতাদর্শের বাহন?

আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া, হাইকোর্টের রুল জারি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৩৮ বার পড়া হয়েছে

আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া, হাইকোর্টের রুল জারি

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

 ব্যাংক একীভূতকরণে ‘ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ-২০২৫’-এ কিছু নির্দিষ্ট বিধান কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে একটি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এই রুলের ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার আইনি ভিত্তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি এবং বিচারপতি এসকে তাসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ (০৪ সেপ্টেম্বর) একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই রুল জারি করেন।

 

 

ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কয়েকজন সাধারণ শেয়ারহোল্ডারের পক্ষ থেকে এই রিট আবেদনটি করা হয়েছিল।

 

আবেদনকারীদের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম এবং ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আরশাদুর রউফ।

 

ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রিট আবেদনে ‘ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ-২০২৫’-এর ২৮(৬), ২৮(৭) এবং ১৬(এম) ধারাসহ ৩০, ৩১, ৩৩, ৩৪, ৩৬, ৪৮, ৪৯, ৫০ এবং ৫১ ধারাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

রিটে বলা হয়েছে, অধ্যাদেশের এই বিধানগুলো সংবিধানের ২৭, ৩১, ৪০ এবং ৪২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, এবং তাই এর কোনো আইনি কার্যকারিতা নেই। এই রুলের জবাব দিতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে চার সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews