
আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোসহ ৭ হত্যা মামলায় সাবেকএমপি ও ওসির মৃত্যুদণ্ড
এমপি ও ওসির মৃত্যুদণ্ড
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় পাঁচ মরদেহ ও একজনকে জীবিত পোড়ানোসহ ৭ জনকে হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি সৈয়দ রনির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া আসামির সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় পাঁচ মরদেহ ও একজনকে জীবিত পোড়ানোসহ ৭ জনকে হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি সৈয়দ রনির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া আসামির সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকার সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজসাক্ষী হওয়ায় এসআই আবজালুলকে ক্ষমা ঘোষণা করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এই রায় ঘোষণা করেন।
বিটিভিসহ সামাজিক মাধ্যমে তা সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বলে জানিয়েছে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৬ আসামির অপরাধ প্রমাণের দাবি করে এ মামলায় সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দিন আশুলিয়ায় গুলি করে হত্যা করা হয় আস সাবুর, তানজিল বায়েজিদসহ ৫ জনকে। এছাড়া সজল নামে গুরুতর আহত হয় আরেক শিক্ষার্থী। এই ছয়জনকে জড়ো করে আশুলিয়া থানার পাশে পুলিশ ভ্যানে আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়।
মানবতাবিরোধী এ অপরাধের মামলায় ৫ মাসের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় দেওয়া হয়। মামলায় সাভারে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ মোট আসামি ১৬ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত সুপার শাহিদুল ইসলাম, পরিদর্শক আরাফাতসহ ৮ পুলিশ সদস্য। এর মধ্যে রাজসাক্ষী হয়েছেন এসআই আফজালুল হক।
মরদেহ পোড়ানোর ভিডিও ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য প্রমাণে আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি রাষ্ট্র পক্ষের।
আদালত হত্যাকাণ্ড অপরাধের খবর মৃত্যুদণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল।