শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Title :
ধর্মীয় পরিচয় নয়, অপরাধের বিচারই হোক—ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির প্রশ্ন  অবকাশের পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট: কাল আপিল বিভাগের ১ নম্বর কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ, থাকছে প্রথাগত সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি ফ্রান্সের অস্থিরতা: গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কোথায় শেষ, নৈরাজ্য কোথায় শুরু?

টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রদান: কারাগারে দারুল ইহসানের পরিচালক

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ মে, ২০২৩
  • ৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রদান: কারাগারে দারুল ইহসানের পরিচালক
ডেস্ক রিপোর্ট

টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রদানের অভিযোগে লালবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার প্রকৌশলী (ডিপ্লোমা) ইয়াসিন আলী ও দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটির পরিচালক বুলবুল আহমেদ বিপুকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৯ মে) দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাদেরকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদেরকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক হুমায়ন কবির। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলামের আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের লালবাগ থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক শওকত হোসেন বিষয়টি জানিয়েছেন।

এর আগে গত ৬ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শান্ত ইসলাম মল্লিকের আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুই আসামি প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে জাল-জালিয়াতি করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সার্টিফিকেট, দাপ্তরিক কাজের জন্য তৈরি সার্টিফিকেট প্রস্তুত করে আসছে। এরপর সাধারণ মানুষকে অরিজিনাল সার্টিফিকেটের কথা বলে অর্থের বিনিময়ে জাল সার্টিফিকেট সরবরাহ করে আসছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তারা। পড়ালেখা না জানা ব্যক্তিদের নিকট থেকে অর্থের বিনিময়ে প্রস্তুতকৃত ফরম ব্যবহার করে তারা নিজেরাই জাল সার্টিফিকেট প্রদান করতেন। এর মাধ্যমে তারা টাকা আত্মসাৎ করে আসছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট