বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
Title :
এক বছরে ২৫ লাখে মামলা কমানোর চেষ্টা সরকারের: আইনমন্ত্রী আলোচনায় হাসিনার দেশে ফেরা চলছে নানা গুঞ্জন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবেন না, জানালো ইসি  সাংবাদিকতার পেশায় আইনি জ্ঞান ও পেশাগত দায়বদ্ধতা: সত্য অনুসন্ধানের অপরিহার্য ভিত্তি এমপি নজরুল ইসলামের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে, অবশেষে যে সিদ্ধান্ত নিলো জামায়াত আইনজীবীদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রধান বিচারপতির কঠোর উদ্বেগ বিচারকের সই-সিল জাল : আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: তারেক রহমান আয়কর নিরীক্ষায় পড়লে কী করবেন? ১০ প্রশ্নের উত্তর সংস্কৃতি কি নিরপেক্ষ থাকতে পারে—নাকি অনিবার্যভাবে মতাদর্শের বাহন?

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি, শুনানি ২১ অক্টোবর

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি, শুনানি ২১ অক্টোবর

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : ২৭ আগস্ট ২০২৫

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছে আপিল বিভাগ। এ বিষয়ে শুনানি আগামী ২১ অক্টোবর ধার্য করেছে আদালত।

বুধবার (২৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির বেঞ্চ রিভিউ আবেদনের শুনানি নিয়ে এই সিদ্ধান্ত দেন।

এদিন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার জন্য একটি কার্যকর সমাধান চায়, যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া বারবার বিঘ্নিত না হয়।

শুনানির শুরুতে আইনজীবী শিশির মনির অভিযোগ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে যেসব বিচারপতি রায় দিয়েছিলেন, পরবর্তীতে তারা প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেই এ রায় ঘোষণা করা হয়।

গত বছরের অক্টোবরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওই রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন। এর আগে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি একই ধরনের আবেদন করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও গত ২৩ অক্টোবর রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট এই সংশোধনীকে সংবিধানসম্মত বলে বৈধতা দেন।

২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যাতে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসে। তবে ২০১১ সালে আপিল বিভাগ এ ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews