বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
Title :
এক বছরে ২৫ লাখে মামলা কমানোর চেষ্টা সরকারের: আইনমন্ত্রী আলোচনায় হাসিনার দেশে ফেরা চলছে নানা গুঞ্জন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবেন না, জানালো ইসি  সাংবাদিকতার পেশায় আইনি জ্ঞান ও পেশাগত দায়বদ্ধতা: সত্য অনুসন্ধানের অপরিহার্য ভিত্তি এমপি নজরুল ইসলামের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে, অবশেষে যে সিদ্ধান্ত নিলো জামায়াত আইনজীবীদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রধান বিচারপতির কঠোর উদ্বেগ বিচারকের সই-সিল জাল : আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: তারেক রহমান আয়কর নিরীক্ষায় পড়লে কী করবেন? ১০ প্রশ্নের উত্তর সংস্কৃতি কি নিরপেক্ষ থাকতে পারে—নাকি অনিবার্যভাবে মতাদর্শের বাহন?

তিন বিচারপতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি প্রধান বিচারপতি

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৩৮ বার পড়া হয়েছে

তিন বিচারপতিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি প্রধান বিচারপতি
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৮ অক্টোবর ২০২৫

হাইকোর্ট বিভাগের ৩ বিচারপতিক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেননি বলে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিপুলসংখ্যক জামিন দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তিন জন বিচারপতিকে শোকজ করে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোছাইন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এবং ফোন করে তিন জন বিচারপতি—বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনকে এই নোটিশ সম্পর্কে অবহিত করেছেন।

বাস্তবে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ উল্লেখিত তিন জন বিচারপতিকে কোনও শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেননি বরং প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেবলমাত্র মামলাসংক্রান্ত কিছু তথ্য চেয়েছেন যা আদালত ব্যবস্থাপনার অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার একটি নিয়মিত দাফতরিক বিষয়।

সুতরাং উক্ত সংবাদে ব্যবহৃত তথ্যে মূল বিষয়টি বিকৃত ও ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। এছাড়া, উক্ত বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনীয় একটি যোগাযোগ।

এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের প্রতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা হচ্ছে—প্রতিটি গণমাধ্যম আদালত সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের আগে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ প্রচার করবে যাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন থাকে এবং জনগণ বিভ্রান্ত না হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews