বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
Title :
বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের বিদায়ী ভাষণে বলেন — “বিচারকের পদ থেকে অবসর নেওয়া যায়, কিন্তু ন্যায়বিচারের আদর্শ থেকে নয়।” শর্টকাটের প্রজন্ম নাকি সংগ্রামের ভবিষ্যৎ? বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ মাসে গড়ে দুই মামলা নিস্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ কর মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে ঝুঁকছে এনবিআর দেনমোহর আদায়ের নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টের রুল চট্টগ্রামে দাফনের মাটিটুকুও গিলে খেয়েছে বন্যা পানিতে ভাসছে অবুঝ শিশু থেকে গবাদিপশু নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা: বাস্তবতার স্বীকারোক্তি, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার গ্রহণযোগ্যতা? বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল, তোপের মুখে বালেন্দ্র শাহ UD Case মানেই হত্যা নয়: অপমৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে আইনের প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে সুব্রত-তারিক

সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে।

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে।

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, সম্পাদক, আদালত বার্তাঃ২৫ মে ২০২৬।

ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও গুপ্ত ধোঁকাবাজির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। 

সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে—যার নাম ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও গোপন প্রতারণা। আজকের সমাজে সত্য যেন ক্রমেই আড়াল হয়ে যাচ্ছে, আর মিথ্যার কারিগররা নীরবে, নিঃশব্দে তাদের জাল বিস্তার করে চলেছে।
একটি গুজব—যার কোনো ভিত্তি নেই, কোনো প্রমাণ নেই—তবুও তা মানুষের মনে ভয়, সন্দেহ ও বিভ্রান্তির বীজ বপন করে। এই গুজবই ধীরে ধীরে রূপ নেয় অপপ্রচারে, আর অপপ্রচারই জন্ম দেয় অবিশ্বাসের। একসময় দেখা যায়, মানুষ মানুষকে আর বিশ্বাস করতে পারছে না; সমাজে নেমে আসে এক ধরনের নীরব ভাঙন।
ষড়যন্ত্রকারীরা কখনো সামনে আসে না। তারা থাকে পর্দার আড়ালে, অচেনা পরিচয়ে, ভুয়া তথ্যের ছদ্মবেশে। তারা জানে, সরাসরি আঘাতের চেয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই তারা বেছে নেয় ছবি বিকৃতি, মিথ্যা সংবাদ, আংশিক সত্য এবং আবেগকে উসকে দেওয়ার কৌশল। তাদের লক্ষ্য একটাই—সমাজকে বিভক্ত করা, মানুষের মধ্যে সন্দেহ ও ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া।
এই নীরব আক্রমণের সবচেয়ে করুণ দিক হলো—আমরা অনেক সময় নিজেরাই এর বাহক হয়ে উঠি। যাচাই না করেই কোনো খবর শেয়ার করি, না ভেবেই কারও বিরুদ্ধে মন্তব্য করি। অজান্তেই আমরা মিথ্যার স্রোতে ভেসে যাই এবং সত্যকে আরও দূরে ঠেলে দিই।
ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কেবল ব্যক্তি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি জাতির বিশ্বাস, ঐক্য ও স্থিতিশীলতা। ধীরে ধীরে সমাজে ছড়িয়ে পড়ে অনিশ্চয়তা, ভয় এবং অবিশ্বাসের অন্ধকার।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো সচেতনতা ও সতর্কতা।
আমাদের শিখতে হবে—
সত্য যাচাই করতে,
গুজব থেকে দূরে থাকতে,
এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে।
প্রত্যেক নাগরিক যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করে, তবে এই অন্ধকারকে প্রতিহত করা সম্ভব। কারণ সত্য হয়তো ধীরে চলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যই বিজয়ী হয়।
সতর্ক থাকুন, সচেতন হোন—দেশকে রক্ষা করুন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews