1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে এটা চায় বাংলাদেশ’সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার। - আদালত বার্তা
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষেই রায় দিল নিউইয়র্ক আদালত ঢাকায় পরীক্ষামূলক ট্রাম সার্ভিস চালুর উদ্যোগ, কমবে যানজট জেলা আইনজীবী সমিতিতে সদস্যভুক্তির নামে অস্বাভাবিক ফি নির্ধারণে চাপে পড়ছেন নবীন আইনজীবীরা। কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট আইনে দ্রুত বিচার একজন আইনজীবী হিসেবে কি ভাবে অল্প সময় ব্যারিস্টার হতে পারেন। তীব্র গরমের মধ্যে স্বস্তির খবর দিল আবহাওয়া অফিস উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদের ওপর আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে আয়কর ধার্য হতে পারে সুপ্রিম কোর্টে ভার্চুয়ালি ৭০৭টি মামলার শুনানি, ১৭৭টি নিষ্পত্তি। সৃজনশীল মানুষের সংগ্রাম: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তনু হত্যার ১০ বছর পর প্রথম আসামি কেরাণীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার।

সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে এটা চায় বাংলাদেশ’সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

‘সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে এটা চায় বাংলাদেশ’সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার।
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
‘সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে এটা চায় বাংলাদেশ’
সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে বাংলাদেশে এটাই চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪’র সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেনম

ব্লু ইকোনমির জন্য সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে হবে। ব্লু ইকোনমির জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আওয়ামী লীগ সমুদ্রসীমায় নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করেছে মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, সমুদ্রসীমায় অধিকার নিয়ে ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। শুধু সমুদ্রসীমাই নয়, স্থলসীমা নিয়েও কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ২১টা বছর তারা সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। জাতির পিতা যেখানে রেখে গিয়েছিলেন সেখানেই পড়েছিল।
‘আমাদের স্থল সীমানার চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেন। সেই সাথে সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। পরবর্তীতে সেটা কার্যকর করা হয়নি। ২১ বছর পর আমরা যখন সরকারে আসি, এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি। তখন কাজগুলো খুব গোপনীয়তার সঙ্গে শুরু করতে হয়েছিল। আমাদের সমুদ্রসীমা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য জাতিসংঘে আমরা সই করে আসি।-বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০১২ এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি করি। আজ বিশাল সমুদ্রসীমার অধিকার রয়েছে, আমরা সম্ভাবনাময় একটা বিশাল অর্থনৈতিক এলাকা পেয়েছি। সামুদ্রিক পথ সকল দেশ ব্যবহার করছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলছে। ইতিমধ্যে ইন্সটিটিউট গড়ে তুলেছি গবেষণার জন্য, সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

বঙ্গোসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্য ব্যবস্থায় যেন কোনো দ্বন্দ্ব না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল সমসময়ই নিরাপদ। দ্বন্দ্ব সংঘাত যেন না হয় সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবেই যেন অব্যাহত থাকে।

বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী এমনটা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ভারত মহাসাগরীয় নৌরুটে কোনো দ্বন্দ্ব আশা করি না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট