বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’আইন পাস বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৭২ বার পড়া হয়েছে

 

‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’আইন পাস বিষয়ে বিবৃতি  দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা ঃ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

সংসদে সাইবার নিরাপত্তা আইন পাস বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। গত বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সংসদে নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) পাসের বিষয়টি লক্ষ্য করেছে। আমরা মনে করি এটা দুঃখজনক যে, নতুন আইনটির আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকার অংশীজনদের এটি পর্যালোচনা এবং তাদের মতামত অন্তর্ভুক্ত করার পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়নি.

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দুর্ভাগ্যবশত, সাইবার নিরাপত্তা আইন অনেক দিক দিয়েই এর আগের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো।

এই আইনেও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, জামিন অযোগ্য ধারা বহাল রাখা হয়েছে এবং সমালোচকদের গ্রেপ্তার, আটক ও কণ্ঠরোধ করতে খুব সহজেই এর অপব্যবহার হতে পারে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়েছে। আইনটি কার্যকর হলে বিলের ৪২ ধারা অনুযায়ী সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাবে পুলিশ। আইনের চারটি ধারা জামিন অযোগ্য রাখা হয়েছে। সাইবারসংক্রান্ত মামলার সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের জেল ও কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। তবে এই আইনে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে সে জন্য বাদীকে শাস্তি পেতে হবে।

বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট