1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
১৮ বছর আগে বরখাস্ত ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ - আদালত বার্তা
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদে ৭ বিল পাস, তিনটিতে বিরোধী দলের নোট অব ডিসেন্ট অধস্তন আদালতের নতুন সময় নির্ধারন সংশোধনীসহ আ.লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ পাসের সুপারিশ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন  বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন-২০২৬ আগামী ১৯ মে ২০২৬ তারিখ, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুরের নিলুফার ইয়াসমিনকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়  পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সরকারি কর্মকর্তাদের মানতে হবে যে ১১ নির্দেশনা দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতি পদত্যাগ এপ্রিলে যেভাবে মিলতে পারে টানা ৫ দিনের ছুটি অন্তর্বর্তী সরকারের ২০টি অধ্যাদেশের ক্লারিফিকেশন দরকার: জয়নুল আবেদীন

১৮ বছর আগে বরখাস্ত ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

১৮ বছর আগে বরখাস্ত ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : আগস্ট ১৮, ২০২৫

১৮ বছর আগে বরখাস্ত ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে তাদের চাকরির সব সুযোগ-সুবিধা ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) এ বিষয়ে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ছিল অসাংবিধানিক এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। একটি সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে সরকারের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।

 ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়, দেশের বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচন অফিসে কর্মরত ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। অভিযোগ ছিল, তারা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করেছেন।

তবে দীর্ঘ সময়েও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা সেই সময় থেকেই আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন।

তৎকালীন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। আদালত বলেন, এই কর্মকর্তারা কোনো ধরনের নিয়ম ভঙ্গ করেননি। তৎকালীন সময়ে প্রশাসনিকভাবে যেভাবে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, তা ছিল অবৈধ ও অন্যায়।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, ওই বরখাস্ত আদেশে কোনো নিয়ম মানা হয়নি এবং বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক প্রভাবিত ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার।

এখন যারা জীবিত আছেন, তাদের চাকরিতে পুনর্বহারের পাশাপাশি বকেয়া বেতন-ভাতা, পেনশনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও ফিরিয়ে দিতে হবে। আর যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের পরিবারবর্গকে ওইসব সুবিধা পরিশোধ করতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট