1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
এক সাথে কেন খাবেন?  - আদালত বার্তা
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিষিদ্ধ বা স্থগিত ঘোষিত সংগঠনের এমন নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা, যারা জামিনে বেরিয়ে সংগঠনকে পুনর্গঠিত বা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় করতে সক্ষম—তাদের জামিনের পরপরই অন্য মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখাতে হবে এজলাসে ভাঙচুর, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আটক। পদত্যাগ করলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার.। আজ প্রপোজ ডে, প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর দিন। সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নির্বাচনে যান চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করে প্রজ্ঞাপন দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টানা ৫ দিনের ছুটি ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থায় পরিবর্তন রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ। আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোসহ ৭ হত্যা মামলায় সাবেক এমপি ও ওসির মৃত্যুদণ্ড

এক সাথে কেন খাবেন? 

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

এক সাথে কেন খাবেন? 

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, সম্পাদক, আদালত বার্তাঃ ১১ জুলাই ২০২৫

পরিবারের সবাই একসাথে খাবার খাওয়ার গুরুত্ব অনেক গভীর ও বহুমাত্রিক। এটি শুধু খাওয়ার একটি সময় নয়, বরং পারিবারিক বন্ধন, মূল্যবোধ এবং মানসিক স্বাস্থ্য গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

১. পারিবারিক বন্ধন মজবুত হয়।
একসাথে খাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা পরস্পরের সাথে কথা বলেন, দিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া, সহানুভূতি ও ভালোবাসা বাড়ায়।

২. সন্তানদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব:
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত পরিবারের সাথে খায়, তারা স্কুলে ভালো করে, মানসিকভাবে সুস্থ থাকে এবং খারাপ অভ্যাস (যেমন মাদক, ধূমপান) থেকে দূরে থাকে।
এটি শিশুদের মধ্যে সামাজিক দক্ষতা ও ভালো আচরণ গড়ে তোলে।

৩. সুস্থ খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠে।

পরিবারের সাথে খাওয়ার সময় পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। বাইরে খাবারের প্রতি আসক্তি কমে যায়।

৪. সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ শেখানো যায়।

এই সময়কে ব্যবহার করে শিশুকে ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ শেখানো যায়। এটি প্রজন্মান্তরে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের একটি উপায়।

৫. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে

নিয়মিত একসাথে খাওয়ার অভ্যাস মানসিক শান্তি আনে। এটি একাকীত্ব ও বিষণ্নতা দূর করে।

৬. সমস্যা সমাধানে সহায়ক।

পরিবারের মধ্যে কোনো সমস্যা থাকলে খাওয়ার সময় খোলামেলা আলোচনা করে সমাধান খোঁজার সুযোগ পাওয়া যায়।

পরিবারের সবাই একসাথে খাওয়া শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি একটি সামাজিক, মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পথ। ব্যস্ত জীবনেও সপ্তাহে অন্তত কয়েকদিন এই অভ্যাস বজায় রাখলে পরিবার আরও সুসংগঠিত ও সুখী হতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট