শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
Title :
চীন–বাংলাদেশ রেল করিডোর প্রস্তাব: সম্ভাবনা, বাস্তবতা ও প্রভাব  ধামরাইয়ের ১২৬ বছরের ঐতিহ্য—বণিক বাড়ি, কাঁসা-পিতলের স্বর্ণযুগের জীবন্ত সাক্ষী আইন সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ইনুর রায়ে কী বার্তা? ফাঁসি হলো না কেন—আইন, রাজনীতি ও বিচারিক যুক্তির বিশ্লেষণ খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি: মূল টাকা পরিশোধেই মিলবে দায়মুক্তির সুযোগ বাংলা কিউআর লেনদেনে নতুন নীতিমালা: এমডিআর সর্বনিম্ন ১% নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নতুন সাময়িক কার্ড ইস্যু বন্ধের নির্দেশ আদালত ‘ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি’—বিচারব্যবস্থা নিয়ে সাদ্দাম হোসেনের তীব্র সমালোচনা রহস্যময় ‘সাদা পতাকা’: নিরাপত্তা শঙ্কা ও অশান্তির ইঙ্গিত মুক্তিযুদ্ধ ও ‘জুলাই যুদ্ধ’ তুলনা নিয়ে বিতর্ক: আক্তার হোসেনের বক্তব্যে নিন্দার ঝড়

অভিভাবকের অসচেতনতা ও অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে হারাচ্ছে শিশুর চোখের আলো

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

অভিভাবকের অসচেতনতা ও অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে হারাচ্ছে শিশুর চোখের আলো
বিশেষ প্রতিবেদন আদালত বার্তাঃ১৭মে ২০২৬
বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিশুদের হাতে বই-খাতার পরিবর্তে ক্রমেই বেশি দেখা যাচ্ছে স্মার্টফোন, ট্যাব ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস। অনলাইন ক্লাস, গেমস, কার্টুন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে শিশুদের চোখের ওপর পড়ছে ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে অল্প বয়সেই অনেক শিশু চোখের বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ইখতিয়ার আহমেদ শাওনের মতে, দীর্ঘ সময় মোবাইল বা ট্যাবের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে শিশুদের চোখে শুষ্কতা, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা, চোখে জ্বালাপোড়া এবং দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে অল্প বয়সেই শিশুদের চশমা ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া রাত জেগে মোবাইল ব্যবহারের ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে, যা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
তিনি আরও বলেন অধিকাংশ অভিভাবকই শিশুদের শান্ত রাখতে বা ব্যস্ত রাখার জন্য খুব সহজেই মোবাইল ফোন হাতে তুলে দেন। কিন্তু এই সাময়িক স্বস্তি ভবিষ্যতে শিশুর জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। শিশুদের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মারাত্মক দৃষ্টিজনিত সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা জরুরি। একই সঙ্গে শিশুদের খেলাধুলা, বই পড়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটানোর প্রতি উৎসাহিত করতে হবে। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে।
তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে কোনো ধরনের ডিজিটাল স্ক্রিন না দেওয়াই উত্তম। বড় শিশুদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়ের বেশি স্ক্রিন ব্যবহার না করতে দেওয়া এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিশুদের সুস্থ দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় এখনই সচেতন হওয়া সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews