মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
Title :
কর ফাঁকি ধরতে এনবিআরের এআই প্রযুক্তি: কড়া নজরে বিলাসবহুল গাড়ির মালিকরা কক্সবাজার থেকে মিয়ানমার হয়ে সরাসরি চীন: বাংলাদেশের সামনে ভূ-অর্থনীতির নতুন দিগন্ত বৈধ ভিসা থাকলেই প্রবেশের অধিকার নিশ্চিত নয়: দিল্লি হাইকোর্ট রিমান্ড শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন নামের বিভ্রাটে ১০ মাস ধরে কারাগারে নির্দোষ আলমাছ: পরিচয় নিশ্চিতে হাইকোর্টের তদন্তের নির্দেশ যমুনার চরে ৬ হাজার মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র: জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: এমপি মিষ্টির পদত্যাগে কাঁপছে অপরাধ জগৎ কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন হচ্ছে ডিজিটাল, কমবে পারিবারিক মামলা ও জালিয়াতি ঘণ্টাপ্রতি শ্রম নয়, দক্ষতার বাজারমূল্যেই বাড়ে সফলতা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে কারিগরি দক্ষতার বিকল্প নেই

অভিভাবকের অসচেতনতা ও অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে হারাচ্ছে শিশুর চোখের আলো

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ২৯০ বার পড়া হয়েছে

অভিভাবকের অসচেতনতা ও অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারে হারাচ্ছে শিশুর চোখের আলো
বিশেষ প্রতিবেদন আদালত বার্তাঃ১৭মে ২০২৬
বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিশুদের হাতে বই-খাতার পরিবর্তে ক্রমেই বেশি দেখা যাচ্ছে স্মার্টফোন, ট্যাব ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস। অনলাইন ক্লাস, গেমস, কার্টুন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে শিশুদের চোখের ওপর পড়ছে ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে অল্প বয়সেই অনেক শিশু চোখের বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ইখতিয়ার আহমেদ শাওনের মতে, দীর্ঘ সময় মোবাইল বা ট্যাবের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে শিশুদের চোখে শুষ্কতা, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা, চোখে জ্বালাপোড়া এবং দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে অল্প বয়সেই শিশুদের চশমা ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া রাত জেগে মোবাইল ব্যবহারের ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে, যা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
তিনি আরও বলেন অধিকাংশ অভিভাবকই শিশুদের শান্ত রাখতে বা ব্যস্ত রাখার জন্য খুব সহজেই মোবাইল ফোন হাতে তুলে দেন। কিন্তু এই সাময়িক স্বস্তি ভবিষ্যতে শিশুর জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। শিশুদের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মারাত্মক দৃষ্টিজনিত সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা জরুরি। একই সঙ্গে শিশুদের খেলাধুলা, বই পড়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটানোর প্রতি উৎসাহিত করতে হবে। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে।
তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের হাতে কোনো ধরনের ডিজিটাল স্ক্রিন না দেওয়াই উত্তম। বড় শিশুদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়ের বেশি স্ক্রিন ব্যবহার না করতে দেওয়া এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিশুদের সুস্থ দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় এখনই সচেতন হওয়া সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট