বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ৩ জুন ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিস জালিয়াতি’ রোধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ছয়টি নতুন নির্দেশনা দিয়েছে, যা ১৪ জুন থেকে কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোটিস জালিয়াতির বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
মঙ্গলবার অবকাশকালীন এনেক্স ভবনের ১৪ নম্বর কোর্টে বেশ কয়েকটি মামলার মূল আবেদনের টেন্ডার নম্বরের সঙ্গে নোটিসে দেওয়া টেন্ডার নম্বরের ‘গরমিল’ পাওয়া যায়।
অনৈতিক সুবিধা নিতে এ ‘জালিয়াতির’ বিষয়টি ধরা পড়লে আদালত ওই দিনের কার্যতালিকা থেকে ১৬টি আইটেম বাদ দেয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।
এছাড়া মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী আইনজীবী এবং নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবীর মধ্যে ভিন্নতাও লক্ষ্য করা গেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
“কতিপয় ব্যক্তির এমন অনৈতিক কাজের কারণে আইনজীবী ও বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।”
নির্দেশনায় বলা হয়, মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী ও নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে। মামলার এফিডেভিট করার সাত দিনের মধ্যে নোটিস জারি করতে হবে এবং জমা দেওয়া নোটিসে টেন্ডার নম্বর অবশ্যই টাইপ করা থাকতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এফিডেভিট শেষে মূল আবেদনপত্রের (ব্লু কপি) ফটোকপি ও ওকালতনামার উভয় পৃষ্ঠাসহ নোটিস জমা দিতে হবে।
এছাড়া কোনো আদালতে আগে দাখিল করা মামলা নতুন করে অন্য আদালতে তালিকাভুক্ত করতে হলে নতুন নোটিসের সঙ্গে আগের নোটিসের অনুলিপি যুক্ত করার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে নির্দেশনায়।
নির্দেশনাগুলো আইনজীবীদের জানাতে এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক বরাবর বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট