বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

সুনামগঞ্জে মিথ্যা মামলা করায় বাদীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিচারক।

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩
  • ৫০৭ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জে মিথ্যা মামলা করায় বাদীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিচারক।

 

সুনামগঞ্জে মিথ্যা মামলা করায় বাদীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিচারক।

ডেস্ক নিউজ আদালত বার্তা :১ জুন ২০২৩
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর সহকারী জজ আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে জাল দলিল দাখিল করায় মামলার বাদী রিংকু দাসের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আদালতে জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক। একইসঙ্গে রিংকু দাসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বুধবার (৩১ মে) দুপুরে সহকারী জজ আদালত বিশ্বম্ভরপুরের বিচারক মোঃ আরিফুর রহমান বাদী হয়ে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলটি দায়ের করেন।
বিশ্বম্ভরপুর সহকারী জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ আলী বিষয় টি নিশ্চিত করেছেন।
রিংকু দাস, জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার প্যারীনগর গ্রামের মৃত বীরেন্দ্র দাসের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভরপুর সহকারী জজ আদালতে রিংকু দাস ০৭/২০১৭ নম্বর মামলা দায়ের করেন একই উপজেলার নিবাসী আসমত খান গং এর বিরুদ্ধে। সেই মামলায় বাদী তিনটি দলিল আদালতে দাখিল করে, বিবাদীদের বিরুদ্ধে নালিশা ভূমিতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেন।
সাক্ষ্য প্রমাণ পর্যালোচনা কালে বিচারকের নিকট তিনটি দলিলের মধ্যে ১৮/০৪/১৯৬৮ ইং তারিখযুক্ত ৩৭৬৬/৬৮ নং দলিলটি অস্তিত্বহীন ও জাল এবং ২১/১১/২০০৭ ইং তারিখের ৭৯৮ নং দলিলটি ঘষা মাজা করে টেম্পারিং করা মর্মে স্পষ্ট হয়।
বুধবার প্রকাশিত এ মামলার রায়ে আদালতের বিচারক বাদী রিংকু দাস জাল দলিল দাখিল করেছেন বলে উল্লেখ করেন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উল্লেখ করে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় মামলা খারিজ করে বাদীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
সেই সাথে আদালতে জাল দলিল দাখিল করায় বিচারক মোঃ আরিফুর রহমান নিজে বাদী হয়ে, ওই মামলার বাদী রিংকু দাসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সুনামগঞ্জ সদর আমলী আদালত) জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট