শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
Title :
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের ছেলে হত্যা: আইফোন ছিনতাইয়ের জেরে খুনের সন্দেহ, আটক ৩ আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলেকে হত্যা: ‘আমার তো একটাই ছেলে, ওকে ছাড়া বাঁচব কীভাবে’ হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার পাহাড়। নির্বাহী বিভাগে বিচারকদের প্রেষণ: বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পথে প্রধান অন্তরায় হোয়াইট হাউসে সিএনএন, এমএসনাউ ও পলিটিকো নিষিদ্ধ: ট্রাম্পের নিশানায় স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ঢাকার ছয় স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগ: জড়িতদের গ্রেফতারে মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ১৫ দিনে একবার দেখা: অতিরিক্ত বন্দীতে লালমনিরহাট কারাগারে স্বজনদের চরম দুর্ভোগ হাইকোর্টের জামিনের পরও বন্দি মুক্তি না পাওয়ার অভিযোগ: চট্টগ্রাম জেল সুপারকে আদালতের শোকজ জামায়াত একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে: আইনমন্ত্রী শুনানিতে অসংলগ্ন কথা ও অস্বাভাবিক আচরণ: আইনজীবীর ‘ডোপ টেস্টের’ নির্দেশ আদালতের

সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে এটা চায় বাংলাদেশ’সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার।

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৯১ বার পড়া হয়েছে

‘সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে এটা চায় বাংলাদেশ’সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার।
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
‘সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে এটা চায় বাংলাদেশ’
সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহার হবে বাংলাদেশে এটাই চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪’র সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেনম

ব্লু ইকোনমির জন্য সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে হবে। ব্লু ইকোনমির জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আওয়ামী লীগ সমুদ্রসীমায় নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করেছে মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, সমুদ্রসীমায় অধিকার নিয়ে ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। শুধু সমুদ্রসীমাই নয়, স্থলসীমা নিয়েও কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ২১টা বছর তারা সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। জাতির পিতা যেখানে রেখে গিয়েছিলেন সেখানেই পড়েছিল।
‘আমাদের স্থল সীমানার চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেন। সেই সাথে সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। পরবর্তীতে সেটা কার্যকর করা হয়নি। ২১ বছর পর আমরা যখন সরকারে আসি, এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি। তখন কাজগুলো খুব গোপনীয়তার সঙ্গে শুরু করতে হয়েছিল। আমাদের সমুদ্রসীমা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য জাতিসংঘে আমরা সই করে আসি।-বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০১২ এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি করি। আজ বিশাল সমুদ্রসীমার অধিকার রয়েছে, আমরা সম্ভাবনাময় একটা বিশাল অর্থনৈতিক এলাকা পেয়েছি। সামুদ্রিক পথ সকল দেশ ব্যবহার করছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলছে। ইতিমধ্যে ইন্সটিটিউট গড়ে তুলেছি গবেষণার জন্য, সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

বঙ্গোসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্য ব্যবস্থায় যেন কোনো দ্বন্দ্ব না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল সমসময়ই নিরাপদ। দ্বন্দ্ব সংঘাত যেন না হয় সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবেই যেন অব্যাহত থাকে।

বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী এমনটা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ভারত মহাসাগরীয় নৌরুটে কোনো দ্বন্দ্ব আশা করি না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট