বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি রাজ্জাক-ফারুকের, চাইলেন ন্যায়বিচার

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪২১ বার পড়া হয়েছে

আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি রাজ্জাক-ফারুকের, চাইলেন ন্যায়বিচার
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : ১৫ অক্টোবর ২০২৪
আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি রাজ্জাক-ফারুকের, চাইলেন ন্যায়বিচার
সাবেক দুই মন্ত্রীকে দুপুরে আদালতে তোলা হয়।
ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে হত্যার অভিযোগের পৃথক দুই মামলায় পুলিশ রিমান্ডে পেয়েছে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট দুই নেতা ড. আব্দুর রাজ্জাক ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খানকে। তারা দুজনই সাবেক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। হত্যা মামলায় তাদের দুজনেরই দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ডের শুনানিতে দুই নেতাই আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দিয়েছেন এবং তারা দাবি করেছেন, তারা নির্দোষ। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছেন।

গতকাল সোমবার রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রাজধানী থেকে গ্রেফতার হন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের দুই নেতা। আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে তাদের আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনেরই রিমান্ড মঞ্জুর করে।

রিমান্ড শুনানিতে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা শেষে আমেরিকার বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছি। যেখানকার ছাত্র নীল আর্মস্ট্রং। আমি ২৪ বছর সরকারি চাকরি করেছি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে। দেশপ্রেমের তাড়নায় আওয়ামী লীগে যোগ দিই। স্বাধীনতার আগে স্বৈরাচার আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে জনসমাবেশ করেছি। ৬৯ এ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ শুধু অংশগ্রহণ না নেতৃত্ব দিয়েছি।’

রাজ্জাক বলেন, ‘আমার বয়স যখন ১১ মাস তখন বাবা মারা যান। আমি ও আমার ভাই নানা বাড়িতে মানুষ হয়েছি। আমরা সেল্ফ ডিপেন্ডেন্ট ছিলাম। আমার পরিবারের সবাই যার যার জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। আমাকে যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তার সঙ্গে বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আমি আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চাই।’

অপরদিকে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান আদালতের উদ্দেশে বলেন, ‌‘জীবনে প্রথমবার এইভাবে আদালতে এসেছি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়। এমন ধরনের কোনো কাজ আমি করিনি। আমার নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি কোনো নেতাকর্মীদের নামে মামলা হয়নি।’

ফারুক খান বলেন, ‘আমি এলাকায় বলেছি, আমি শুধু আওয়ামী লীগের এমপি না আমি সবার এমপি। আমি কখনোই বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করিনি। গত সাতদিন থেকে আমি হাসপাতালে ভর্তি। আমার বাম পায়ে রড ঢুকানো, ক্রাচে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি।’

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট