মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
Title :
বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে করদাতাদের সতর্ক করে এনবিআরের চার নির্দেশনা  সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন গণঅভ্যুত্থান: আসামি পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা চেয়ে রিট আবেদন পরীক্ষা নাকি অগ্নিপরীক্ষা—এইচএসসি প্রশ্নপত্রে বিতর্ক বরিশালে সংক্ষিপ্ত বিচারে বাড়ছে জনআস্থা: মাত্র ১ মাসে ১৬৭ মামলায় ৪৫৭ অপরাধীর কারাদণ্ড। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পুনরুত্থান: প্রতিবাদের ভাষায় নতুন জাগরণ ইতিহাসের পৃষ্ঠায় অমর নেতৃত্ব: খামেনি–খোমিনীর উত্তরাধিকার ও জনসমর্থনের প্রতিচ্ছবি এআই-নির্ভর ভুয়া ভিডিও ও ফেক নিউজ রুখতে আইন সংশোধনের দাবি— অ্যাটর্নি জেনারেল ঢাকা বিমানবন্দরের লাগেজ হয়রানির অবসান? থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে জাপানি কনসোর্টিয়াম

আসুন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই মিলে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

আসুন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই মিলে
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তা ঃ ৭ আগষ্ট ২০২৩।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে একসঙ্গে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে এগিয়ে নিতে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব। আমরা আমাদের জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা ও ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ব।’

প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আজ গণভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একথা বলেন।
এ সময় তিনি দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো পদক্ষেপ এবং জাতির অগ্রগতির বিরুদ্ধে অপপ্রচার সম্পর্কে সবাইকে সর্বদা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং স্মার্ট সরকার, স্মার্ট দক্ষ জনশক্তি, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সোসাইটি নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে আরো এগিয়ে যাবে। কারণ তাঁর সরকার ২০০৮ সালের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইতোমধ্যেই এ দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তর করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংবিধান সংশোধন করে সব জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ জনগণের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান সংবিধান সংশোধণ করে সব ধর্মের অধিকার রক্ষা ও দর্মীয় উৎসব পালনের স্বাধীনতা সংক্রান্ত সব অনুচ্ছেদ বাতিল করেছিলেন।

তিনি বলেন, জিয়া সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদ বাতিল করে দেন, যা আমাদেন ধর্মীয় নিরপেক্ষতাকে নিশ্চিত করেছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে- প্রতিটি ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব স্বাধীনভাবে পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রী হিন্দু সম্প্রদায়কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দেশটি সবার, কারণ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাস যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, এলজিআরডি ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খানও বক্তব্য রাখেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews