বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

এক বছরে ২৫ লাখে মামলা কমানোর চেষ্টা সরকারের: আইনমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

এক বছরে ২৫ লাখে মামলা কমানোর চেষ্টা সরকারের: আইনমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ২২ জুলাই ২০২৬
মামলার জট সাড়ে চার মিলিয়ন (৪৫ লাখ) থেকে কমিয়ে আগামী এক বছরের মধ্যে দুই মিলিয়নে (২০ লাখ) আনার আশা প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ১০ জেলায় মামলাপূর্ব বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলার চাপ কমে আসবে। আরও উদ্যোগ নেয়া গেলে এ সংখ্যা আরও কমানো সম্ভব হবে। এতে আদালতে প্রতিদিন নতুন করে যে মামলার স্তূপ তৈরি হচ্ছে, সেটিও কমে আসবে।
তিনি বলেন, আদালতগুলোকে অনুরোধ করবো, বিচার প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে যখন দেখবেন কোনো মামলা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব, তখন দুই পক্ষের আইনজীবী অথবা জেলা লিগ্যাল এইডের আওতায় থাকা মিডিয়েটরের কাছে বিষয়টি পাঠানো যেতে পারে।
আইনমন্ত্রী বলেন, পোস্ট ফাইলিং মামলাগুলোও যদি মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়, বিশেষ করে তফসিলভুক্ত আইনগুলোর ক্ষেত্রে, তাহলে আমরা বিশ্বাস করি আগামী এক বছরের মধ্যে সাড়ে চার মিলিয়ন পেন্ডিং মামলা দুই মিলিয়নে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। এটি করতে পারলে বিচার বিভাগের জন্য একটি আশার আলো তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, এর মাধ্যমে একদিকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে মানুষের হয়রানি কমবে। মামলায় জড়িয়ে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মানুষও উপকৃত হবেন।
আইনমন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে মধ্যস্থতার এ প্রক্রিয়া জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। জনগণের জানা দরকার, সরকার সরকারি অর্থে মানুষকে শুধু মামলা-মোকদ্দমা থেকে দূরে রাখতে চাচ্ছে না, বরং অসহায়, দরিদ্র ও মেহনতি মানুষের জন্য আইনজীবী নিয়োগ করে তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
তিনি এ উদ্যোগটি জনস্বার্থ ও জনকল্যাণে আরও কার্যকর করতে প্রচারের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার আহবান জানান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট