বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
Title :
ডিবি কর্মকর্তা নাজমুলসহ ৪ জনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ। তালাকের অজুহাতে সন্তানের ভরণপোষণ বন্ধ করা যাবে না: হাইকোর্ট বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের বিদায়ী ভাষণে বলেন — “বিচারকের পদ থেকে অবসর নেওয়া যায়, কিন্তু ন্যায়বিচারের আদর্শ থেকে নয়।” শর্টকাটের প্রজন্ম নাকি সংগ্রামের ভবিষ্যৎ? বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ মাসে গড়ে দুই মামলা নিস্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ কর মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে ঝুঁকছে এনবিআর দেনমোহর আদায়ের নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টের রুল চট্টগ্রামে দাফনের মাটিটুকুও গিলে খেয়েছে বন্যা পানিতে ভাসছে অবুঝ শিশু থেকে গবাদিপশু নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা: বাস্তবতার স্বীকারোক্তি, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার গ্রহণযোগ্যতা? বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল, তোপের মুখে বালেন্দ্র শাহ

নিরপেক্ষ সরকারের শর্তে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ নয়: কাদের

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০২৩
  • ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে

নিরপেক্ষ সরকারের শর্তে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ নয়: কাদের

ডেস্ক নিউজ আদালত বার্তা :৮ জুন ২০২৩
বিএনপির সঙ্গে আগেও দুদফা সংলাপ হয়েছিল, কোনো লাভ হয়নি। নিরপেক্ষ সরকারের শর্ত নিয়ে দলটির সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বৃহস্পতিবার (৮ জুন) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ৬ দফা দিবসের সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

সংলাপ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ করে বিএনপি নিষেধাজ্ঞা আনার পাঁয়তারা করছিল। কিন্তু নালিশ করে তারা নিজেরাই ফাঁদে পড়েছে। নালিশ করে তারা পেয়েছে ভিসা নীতি। এ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই সরকারের। নির্বাচনে যারা বিশৃঙ্খলা করবে তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নীতি প্রয়োগ হবে। বিশৃঙ্খলা করতে চায় কারা? তারা হলো বিএনপি। তাদের সঙ্গে পূর্বে দুদফা সংলাপ হয়েছিল, কোনো লাভ হয়নি। নমিনেশন বাণিজ্য করার জন্যই কি তারা সংলাপ চায়? তাই তাদের সাথে সংলাপের কথা আমরা ভাবছি না।’
বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীগের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ নয়, তা বাতির করেছে সর্বোচ্চ আদালত
সংবিধান আছে, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন আছে, তাই নির্বাচন নিয়ে চিন্তার কারণ নেই এ কথা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিদেশি বন্ধুরা চায় সুষ্ঠু নির্বাচন, আমরা সেটাই করব। বিএনপি চায় সংসদ ভেঙে দিতে, পৃথিবীর কোথাও যা হয় না, তারা সেটাই চায়। তারা চায় সরকারের পতন।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ৭ মার্চের শপথ আবার নিতে হবে। এরা গণতন্ত্র গিলে খেয়েছে, নির্বাচন গিলে খেয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ গিলে খেয়েছে। এদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। বিএনপি ক্ষমতা ফিরে পেলে গোটা দেশ গিলে খাবে।
একই অনুষ্ঠানে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, আওয়ামী লীগ-যুবলীগ আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগ পর্যন্ত মাঠে থাকবে। বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করা কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচি হতে পারে না। এটা অগণতান্ত্রিক আচরণ। তারা অগ্নিসংযোগ করলে আমেরিকার ভিসা নীতির আওতায় পড়ে যাবে। সবাইকে আগামী নির্বাচনের আগে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘বিএনপির লজ্জা থাকলে তারা বিদ্যুতের জন্য ঘেরাও কর্মসূচি দিত না। তারা ক্ষমতায় থাকাকালে ৩০ শতাংশ মানুষকেও বিদ্যুৎ দিতে পারেনি। সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করতে পারত বিএনপি। সেখানে এখন ২৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের সক্ষমতা আছে আমাদের। বৈশ্বিক কারণে এখন সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, এটা সাময়িক সমস্যা। সমাধান হয়ে যাবে।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের শিখরে। দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় ৭১ এর ঘাতকরা। নির্বাচন বানচাল করতে চায় বিএনপি ও তার দোসররা। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এরা গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চায়। এ দেশে নির্বাচন হবে এবং নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্বপালন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কমিশনকে সরকার সহযোগিতা করবে। অনেক সহ্য করেছি আর সহ্য করব না।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনে রক্ত দেব, এ দেশে সংবিধান মেনেই নির্বাচন হবে, কেউ তা বানচাল করতে পারবে না।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews